আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে
উপ-সহকারী প্রকৌশলী থেকে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীতে পদায়ন
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপ-সহকারী প্রকৌশলী দীপক কুমার সরকার ২০০৬ সালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে জাতীয় গৃহায়ন-এ যোগদান করেন। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে যোগদান করার পর তিনি দেশের বিভিন্ন জেলায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করেছেন। দীপক কুমার সরকার ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মাধ্যমে চাকরিতে যোগদান করেন বলে জানা যায়। তার এখনো গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং নিপুন রায় চৌধুরীর সাথে সাক্ষ্যতা রয়েছে। ২০১০ সালে থেকে তিনি উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদ হতে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন না করে সরাসরি অবৈধ উপায়ে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকৌশলী দীপক কুমার সরকার ২০১৯ সাল পর্যন্ত যশোরে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে কয়েক মাসের জন্য রাজশাহীতে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দীপক কুমার সরকার তৎকালীন গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রাশেদুজ্জামানকে ম্যানেজ করে উৎকোচের বিনিময়ে মিরপুর-২ নম্বরের গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিভাগীয় কার্যালয়ে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন এবং এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, কুয়েট ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা মেধাবীরা বৈধ পদোন্নতি প্রাপ্তরা ঢাকার বাইরে ও কম গুরুত্বপূর্ণ উপ-বিভাগে কাজ করে যাচ্ছেন। আরো জানা যায়, দীপক কুমার সরকার আর্থিক ঘুষের বিনিময়ের মাধ্যমে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জমিতে একাধিক মালিকানাধীন ভবন তৈরিতে সহায়তা করেছেন। দীপক কুমার সরকারের দুর্নীতি এখানেই শেষ নয়। তিনি পুরো মিরপুর জুড়ে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জমিতে যে সকল স্থাপনা আছে সেই সকল স্থাপনা থেকে মাসিক চাঁদা উঠিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীপক কুমারের মত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা টাকার বিনিময়ে প্রভাব খাটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়নের ফলে প্রকৃত উন্নয়ন ব্যাহতসহ বিভিন্ন প্রকল্পের আর্থিক ক্ষতি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি কাজে ত্রুটি ইত্যাদি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে করে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ তার কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ এবং দেশের জনগণ এবং ক্ষুণ্ন হচ্ছে সরকারের সম্মান। দীপক কুমার সরকার জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কর্মচারীর নামে প্লট বরাদ্দ নিয়ে তাদের কাছ থেকে অল্প টাকায় নিজের নামে নিয়েও প্লট ব্যাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছেন। ২০১৬ সালে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মচারী মো. কামাল হোসেন এর কাছ থেকে একটি প্লট ক্রয় করেন।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, দীপক কুমার যশোরে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর পূর্বের ভুয়া ফিজিবিলিটি রিপোর্ট করিয়ে যশোরের মফস্বল এলাকায় সুউচ্চ ভবন অনুমোদন করিয়ে মনঃপূত ঠিকাদার দিয়ে নিজে অর্থ আত্মসাৎ করে, যাতে করে সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। প্রকৌশলী দীপক কুমার তার বোন এবং বোনের স্বামীকে অনৈতিকভাবে সরকারি বরাদ্দ করে দিয়েছেন যার প্রমাণ ১৪/০৪/২০ইং তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় রাজশাহী একজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, প্রকৌশলী দীপক সরকার তার বোনজামাই শ্যামল কুমার রায় একজন সরকারি স্কুল শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও ব্যবসায়ী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে একটি প্লট বরাদ্দ করে দেন। দীপক কুমার সরকার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিভিন্ন সাংবাদিকদের সাথে তার গভীর সম্পর্ক আছে বলে প্রতিবেদককে জানান।
জামান / জামান
কামালকে প্রত্যর্পণের অফিসিয়াল তথ্য নেই : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
সোমবার থেকে সেন্টমার্টিন যাবে পর্যটকবাহী জাহাজ, থাকছে রাত্রিযাপনের সুযোগ
৬ লেনের দাবিতে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫৭২ জন
ডলার সংকট না থাকায় আগামী রোজায় পণ্য আমদানি নিয়ে শঙ্কা নেই : গভর্নর
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ
সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে, আশা সিইসির
সবুজ প্রযুক্তি, পাট ও ওষুধ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন
কামালকে দিয়েই শুরু হবে, এরপর একে একে
ঢাকার বাতাস আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’, দূষণে শীর্ষে দিল্লি