এলডিসিপরবর্তী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চীনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চায় এফবিসিসিআই
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের বৃহত্তম অংশীদার চীনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হলে, এলডিসি পরবর্তী সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সহজ হবে দেশটির সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা। মঙ্গলবার সকালে চায়না-বাংলাদেশ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড কো-অপারেশন ফোরাম ২০২১ এবং চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর সপ্তম কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
ভাচুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে মো. জসিম উদ্দিন জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিলো ১১.৪৯ বিলিয়ন ডলার, বিপরীতে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। এই বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ঢাকা-বেইজিং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রয়োজন। ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ১.০২ বিলিয়ন ডলারের চীনা বিনিয়োগের তথ্য জানিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, এফটিএ হলে, বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে চীনা উদ্যোক্তাদের আস্থা আরো বাড়বে। বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে সরকারের দেয়া কর অবকাশ সুবিধা, ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত হ্রাসকৃত হারে আয়কর, করমুক্ত রপ্তানি আয়, ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ও কাঁচামাল আমদানিতে হ্রাসকৃত আমদানি শুল্কের কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআই সভাপতি। ১০০টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলমান আছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে বৈশ্বিক উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ খুঁজে বের করতে গবেষণা প্রকল্প হাতে নেয়ার আহ্বান জানান মোঃ জসিম উদ্দিন। শিল্পক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি আদান প্রদান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, পরিবহন, চামড়া, প্লাস্টিক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষি এবং বায়ো-টেকনোলজি খাতে চীনা উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের প্রশংসা করে মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, এই উদ্যোগ ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত রাষ্ট্র হতে বাংলাদেশের সামনে অবারিত সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ নজরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শেখ ইউসুফ হারুন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিসিসিআই সভাপতি জনাব রিজওয়ান রাহমান, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জনাব গাজী গোলাম মর্তুজা, সিইএবি’র সভাপতি জনাব কে চ্যাংলিয়াং, সংগঠনটির অনারারি লাইফ প্রেসিডেন্ট জনাব লিন ওয়েইকিয়াংসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা।
এমএসএম / জামান
বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় দায় : অর্থমন্ত্রী
রিজার্ভ বেড়ে ফের ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি : অর্থমন্ত্রী
মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি
ভ্যাটসহ নতুন করে সোনার দাম নির্ধারণ, ভরিতে কমলো ৯ হাজার টাকা
সৎ ও পেশাদারদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের দাবি
রডে কর বৃদ্ধি ও গেইন ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি রিহ্যাবের
বাজেট ‘চিন্তাশীল’ হলেও নীতিকাঠামো দুর্বল, পুরোনো পথে হাঁটা দুঃখজনক
ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সংকট সামলাতে ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন
টানা চার দফা কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম