ঢাকা রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

ঢামেক চিকিৎসক-শিক্ষার্থী মারামারি : সমস‍্যা সমাধানে বৈঠকে বসেছে সবপক্ষ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৮-৪-২০২৬ রাত ৮:৩৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনায় উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশের ডিসি ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিসহ সব পক্ষ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সভাকক্ষে বৈঠক শুরু হয়েছে।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারনেট চিকিৎসকের মধ্যে জরুরি বিভাগের মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে এই ঘটনায় হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার পর উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায় এবং দুপক্ষই স্লোগান দিতে থাকে। হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় জরুরি বিভাগের গেট বন্ধ রয়েছে। এই ঘটনায় বেশ ভোগান্তিতে পড়েছে হাসপাতালে আগত রোগীরা।
ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত জেনারেল সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অন্যান্য চিকিৎসার পাশাপাশি বাইরে থেকে ‘নেলবান’ নামের একটি ইনজেকশন কিনে আনার পরামর্শ দেন। এটি হাসপাতালে ছিল না। শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা সহপাঠীরা ইনজেকশনটি কিনতে বাইরে গেলে কোথাও তা খুঁজে পাননি। পরে তারা আবার হাসপাতালে ফিরে এসে চিকিৎসকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান যে, এই ইনজেকশন খুঁজে কোথাও পাওয়া যায়নি।
আরও জানা যায়, এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয় বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতালের ভবনের নিচে জরুরি বিভাগের প্রধান প্রবেশপথ ‘কেচি গেট’ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে, হাসপাতালের ভেতরে অবস্থান নেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। মাঝে কেচি গেট তালা মারা। 
এ বিষয়ে  ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, যে ইনজেকশনটি প্রেসক্রাইব করা হয়েছে সেটি প্যাসিডিন জাতীয়। তার ধারণা, এ কারণেই হয়তো ওষুধ বিক্রেতারা সেটি দিতে চাননি, যদিও সাধারণত এই ধরনের ইনজেকশন বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। 
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ জরুরি বিভাগের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি বিভাগের প্রধান গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

 

Aminur / Aminur

প্রধানমন্ত্রী বগুড়া যাচ্ছেন কাল

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়ে সপ্তাহে দুই দিন বসবে ভার্চুয়াল হাইকোর্ট

তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি : জ্বালানিমন্ত্রী

অকটেনের দাম বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫

সরকারের ৬০ দিনের বড় সাফল্য, জনগণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখেছেন

পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী

আগামীতে হজের খরচ আরও কমানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্র পড়লে জনগণের অনেক ভোগান্তি হয় : স্পিকার

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৪ লাখ ৬৮ হাজার সরকারি পদ শূন্য, নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন

আ.লীগ সরকারের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন