সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকারঃ বিজন কান্তি সরকার
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বিজন কান্তি সরকার তাঁর দায়িত্ব, পরিকল্পনা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং তাদের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
প্রশ্ন: নতুন দায়িত্বে আপনার প্রথম অগ্রাধিকার কী?
বিজন কান্তি সরকার: আমার প্রথম এবং প্রধান কাজ হবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মর্যাদা, সম্মান, নিরাপত্তা এবং সামাজিক অবস্থান নিশ্চিত করা। তারা যেন দেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো সমান অধিকার নিয়ে নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারে, সেটাই আমার লক্ষ্য।
প্রশ্ন: প্রশাসনে সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের নিয়ে নানা অভিযোগ আছে—আপনি কীভাবে দেখছেন বিষয়টি?
বিজন কান্তি সরকার: আমাদের সম্প্রদায়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন, যারা বিভিন্ন সময় অন্যায়ের শিকার হন। আমি নিশ্চিত করতে চাই, তারা যেন কোনোভাবে বৈষম্য বা হয়রানির শিকার না হন। অনেক সময় প্রশাসনে বা কর্মক্ষেত্রে রাজনৈতিক ট্যাগ বা ইস্যু চলে আসে। বাস্তবতা হলো—রাজনীতি আমাদের জীবনের একটি অংশ, এটি পুরোপুরি এড়ানো কঠিন। গত ১৭ বছরেও আমরা এই প্রবণতা দেখেছি।
তবে আমি জোর দিয়ে বলতে চাই—কারো ওপর অহেতুক দায় চাপিয়ে বা অন্যায়ভাবে হেনস্তা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে আমি বিশেষ নজর রাখবো।
প্রশ্ন: সমস্যা সমাধানে আপনার কৌশল কী হবে?
বিজন কান্তি সরকার: সমস্যা সমাধানের জন্য আমি প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবো। তাদের কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে, যাতে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়। যদিও আমি নির্দিষ্ট কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নেই, তবুও আপাতত সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবো।
প্রশ্ন: সাম্প্রতিক বিসিএস পদোন্নতিতে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব না থাকা নিয়ে আপনার মত কী?
বিজন কান্তি সরকার: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬-এ ২০তম বিসিএস ব্যাচের ১১৮ জন কর্মকর্তার পদোন্নতি হয়েছে, যেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো কর্মকর্তার নাম নেই—এটি অবশ্যই দুঃখজনক। অনেক মেধাবী ও পেশাদার কর্মকর্তা বাদ পড়েছেন।
তবে যেহেতু এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত, তারা কীভাবে মূল্যায়ন করেছে সেটি তারাই ভালো বলতে পারবে। যারা বঞ্চিত হয়েছেন, তারা চাইলে রিভিউ আবেদন করতে পারেন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আমি বিশ্বাস করি, সেখানে অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আছেন।
প্রশ্ন: বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?
বিজন কান্তি সরকার:
আমাদের প্রধানমন্ত্রী সবসময় একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলেন। এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি পেশাদার প্রশাসন কাঠামো। আমি সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তা দৃঢ়তার সঙ্গে পালন করতে চাই। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান এবং তাদের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
এমএসএম / এমএসএম
পিএসসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত, জানা গেল কারণ
সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী
মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স, গডফাদারদের ধরার চেষ্টা চলছে
উপজেলা শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন মোঃ মশিউর রহমান
ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীদের জন্য ১০০টি : সড়কমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আজ বিকেল ৪টা
রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
উপকূলে ঝড়ের শঙ্কায় সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত বহাল
ড. নাসিমুল গনিকে আরও এক বছরের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিয়োগ
উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি
বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান