ট্রাম্পের ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ অবৈধ : মার্কিন আদালত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে— এমন সব দেশের ওপর যে ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ আরোপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাকে ‘অবৈধ’ বলে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত। এ আদালতটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টের (হাইকোর্ট) সমমর্যাদার।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক রায়ে ট্রাম্পের ‘বেইসলাইন’ শুল্ককে ‘আইন বহির্ভূত’ উল্লেখ করে বাণিজ্য আদালত ৩ জন বিচারপতির একটি বেঞ্চ বলেছেন, আইইইপিএ নামের যে আইনের জোরে ট্রাম্প ‘বেইসলাইন শুল্ক’ আরোপের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা তাকে এই নির্দেশ প্রদানের অনুমোদন দেয় না। ৩ বিচারপতির বেঞ্চের ২ জন রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তবে তৃতীয় বিচারকের মতে, ট্রাম্পের ‘বেইসলাইন শুল্ক’ আইইইপিএ আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।
আদালত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি জানিয়েছে, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এই রায় বাতিল চেয়ে আবেদন করতে চান— তাহলে প্রথমে তাদের ওয়াশিংটনের ‘ইউএস কোর্ট অব আপিল ফর দ্য ফেডারেল সার্কিট’ আদালতে আপিল করতে হবে। যদি সেই আদালতের রায়ও বিরুদ্ধে যায়, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত গন্তব্য সুপ্রিম কোর্ট।
উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রণীত জরুরি অর্থনীতি আইন (ইন্টারন্যাশনাল ইমরার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার অ্যাক্ট- আইইপিএ)-এর আওতায় ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল নতুন শুল্কনীতি ঘোষণা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই নীতি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে— এমন সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ আরোপের পাশাপাশি ‘পাল্টাপাল্টি শুল্ক’ (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করেন তিনি। পরবর্তীতে চীন, ভারত, কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের সময়ে ‘পাল্টাপাল্টি শুল্ক’-কে (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) হাতিয়ার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই শুল্কনীতির সুবাদে গত প্রায় এক বছরে শুধু শুল্ক থেকে অতিরিক্ত ১৩ দশমিক ৩৫ হাজার কোটি ডলার উপার্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
চলতি ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এক রায়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে এতদিন ইন্টারন্যাশনাল ইমরার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৭ আইনটি বিধি বহির্ভূতভাবে ব্যবহার করে আসছিল ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে এই আইনের আওতায় যে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে— তা অবৈধ।
২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট এই রায় প্রদানের পর তার নিন্দা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। পাশাপাশি সেদিনই ১৯৭৪ সালে প্রণীত বাণিজ্য আইনের (ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪) আওতায় বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর অস্থায়ীভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এক লিখিত বার্তায় তিনি বলেছিলেন আগামী ১৫০ দিন এই শুল্ক কার্যকর থাকবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ২৪ জুলাই শেষ হবে অস্থায়ীভাবে আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ।
সূত্র : এপি
এমএসএম / এমএসএম
ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নেওয়ার প্রস্তাব পুতিনের
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থালাপতি বিজয়ের শপথ গ্রহণ
মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বে কাল শপথ নেবে তামিলনাড়ুর নতুন সরকার
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কে? সিদ্ধান্ত শুক্রবারেই
ট্রাম্পের ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ অবৈধ : মার্কিন আদালত
হরমুজ খুলতে ব্যর্থ, ‘মুখ বাঁচানোর’ চেষ্টা করছেন ট্রাম্প
নজিরবিহীন পরিস্থিতি, একদিনের রাষ্ট্রপতি শাসন হবে পশ্চিমবঙ্গে?
এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা-স্মারক চূড়ান্তের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইরান