জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে জেল অথবা মৃত্যু ছিল অবধারিত: জামাল হোসেন
যদি জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হতো তবে কারো কারো জেল জীবনের হয়তো দুই বছর পূর্ণ হতো আবার কারো হয়তো ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে হতো। ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন না হলে আসলে রাজনীতির বাস্তবতা এমনই হতো বলে মন্তব্য করেন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ২৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জামাল হোসেন ইমাম।
রাজনীতির রাজপথে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সেই কিশোর বয়স থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী বিএনপি নেতা জামাল হোসেনকেও স্বৈরাচারের রোষানলে পড়ে দীর্ঘ ১১ বছর কাটাতে হয়েছিল নির্জন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্টে। জীবনের সুন্দর স্বপ্নগুলো হারিয়ে গিয়েছিল মিথ্যে মামলার বেড়াজালে। ষড়যন্ত্রের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়েও থেমে যাননি বরং স্বৈরাচারের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে রাজনীতির রাজপথে ছিলেন অকুতোভয়।
রাজনীতির বাঁকে বাঁকে প্রতিনিয়ত নানারকম চ্যালেঞ্জ থাকে সত্যি তবে ক'জন পারেন সেই বাধা মোকাবেলা করে কাঙ্খিত লক্ষ্যে যেতে! আর যারা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে গন্তব্যে পৌঁছে যায় তারাই হয়তো রাজনীতির অভিধানে ত্যাগী নেতার সারিতে স্থান পায়।
সেই কিশোর বয়সেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতি ভালোবাসা জন্ম নেয়া জামাল হোসেনের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট ছিল রাজধানীর শেরেবাংলা থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা ফার্স্ট জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে। এভাবেই বিভিন্ন সময়ে দলের প্রয়োজনে একাধিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন রাজপথের এই সংগ্রামী নেতা। তবে সময়ের বাস্তবতায় সুবিধাবাদী হাইব্রীডদের ভীড়ে ত্যাগীরা কখনো কখনো হারিয়ে যায় গভীর ষড়যন্ত্র অথবা আর্থিক অস্বচ্ছলতায়-বেশ আক্ষেপের সাথে বলছিলেন শেরেবাংলা নগর থানার ২৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্তমান যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জামাল হোসেন ইমাম।
জুলাই আন্দোলনে ছাত্র- জনতার সাথে রাজপথে সামনের সারিতে থাকার অভিজ্ঞতা বর্ননা করে তিনি বলেন, অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলন ছিল ফ্যাসিবাদী সরকারের কফিনে মারা শেষ পেরেক। তবে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে ছিল প্রতিটি মুহূর্ত। পেছনে পুলিশ আর সামনে স্বাধীনতাকে পাবার আশায় সেদিনের রাজপথ ছিল বিপ্লবীদের দখলে- বলছিলেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক বিএনপি নেতা জামাল হোসেন।
মায়ের সম্পত্তি আর বোনের গহনা বিক্রির টাকায় মামলার খরচ চালানো জামাল হোসেনের জীবনে হয়তো ভালো সময় আর আসবে না কিন্তু বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা থেকে তিনি কখনোই বিরত থাকবেন না- এমনটাই বলেন তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং শুভাকাঙ্খীরা।
স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মাঝে পানি বিতরন, শুকনো খাবার প্রদানসহ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে থাকার সেই দিনগুলির স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন ছিল দলমত নির্বিশেষে এক বৃহত্তর ঐক্য। যার প্রতিটি পদক্ষেপে ছিল কাঙ্খিত বিজয়ের হাতছানি। বিজয়ের আনন্দ যেন ত্যাগী নেতৃবৃন্দকে সর্বদা সাহস জোগায়, কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়, নেতা-কর্মীদের চাওয়া পাওয়ার মূল্যায়নে দল এবং সরকার যেন পাশে থাকে এমনটাই আশা করেন দূর্দিনের নিবেদিত কর্মী বিএনপি নেতা জামাল হোসেন ইমাম।
এমএসএম / এমএসএম
হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে, আশঙ্কা বিএনপি নেতার
গণমাধ্যম স্বাধীন না হলে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন শক্তিশালী হবে না : রিজভী
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বিএনপি
তৎকালীন সরকারের কালো আইনে অনেকেই নিগৃহীত হতে হয়েছে
প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, জনমত উপেক্ষা করে সংসদে বিল পাস করছে সরকার
নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না : রিজভী
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ
সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি ছাত্রশিবিরের
শেখ হাসিনার মৃত্যু এই দেশে হবে না, কবরও হবে না : সারজিস
ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী
‘গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে বিরোধী দল’
দাবি না মানলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আন্দোলন: ডা. শফিকুর রহমান