ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

মক্কা জোট : হুথিদের লাগাম টেনে ধরতে ইরানকে আহ্বান পাকিস্তানের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০-৯-২০২৬ দুপুর ৩:৪১

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর ‘লাগাম টেনে ধরতে’ ইরানকে আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মূলত এই সতর্কবার্তাটি দিয়েছে সৌদি আরব; তবে ইরানের কাছে সেটি পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান।

যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার। বলা হয়েছে, “হুথিদের নিয়ন্ত্রণ করুন, নইলে একটি প্রক্সি সংঘাত বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকটে পরিণত হতে পারে।”


পাকিস্তানের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ইসলামাবাদকে এই সতর্কবার্তা তেহরানে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেছিল রিয়াদ; তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তেহরানকে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে ইসলামাবাদ এবং এক্ষেত্রে তেহরানকে হুথিদের ওপর তার প্রভাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে।

ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, “তেহরান পাকিস্তানের বার্তা পেয়েছে এবং জানিয়ে দিয়েছে যে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে নেই।”

ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের কারনে ২০১৫ সালে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে পুনরায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে সৌদি-আমিরাত-ইয়েমেন সামরিক জোট। এখান থেকেই ইরানের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে টানাপোড়েন শুরু হয় সৌদির।

বর্তমানে ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ পুরো উত্তরাঞ্চল, যা দেশটির মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক— ইরানের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে, বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।

২০২২ সালে হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি আরবের মাধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল; কিন্তু গত জুলাই মাসে সানার বিমানবন্দরে হামলার পর থেকে ফের তিক্ত হয়ে ওঠে সৌদি-হুথি সম্পর্ক।

গত ৮ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় চার জেলা আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান এবং নাজরানের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা করেছে হুথি বাহিনী। এতে আহত হয়েছেন নারী ও শিশু সহ ৭৩ জন। এছাড়া আবহা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এবং খামিস মুশাইতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উত্তোলন কোম্পানি আরামকোর গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে ইরানের দু’টি সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে যে সৌদিতে হামলার জন্য গত সপ্তাহে তেহরানই নির্দেশ দিয়েছিল হুথিদের। পাশাপাশি হুথিদের অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কয়েক জন কমান্ডার ইয়েমেনে গিয়ে হুথিদের সঙ্গে বৈঠকও করে এছেন।

এদিকে পাকিস্তানের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে থাকলেও সৌদি-হুথি যুদ্ধে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আসা সম্ভব নয় পাকিস্তানের জন্য। কারণ এই জোট আত্মরক্ষামূলক এবং কেবল সৌদির ভূখণ্ড রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান বড়জোর সৌদি আরবকে সেনাবাহিনী, প্রযুক্তিগত ও অন্যান্য সহায়াতা প্রদান করতে পারবে, কিন্তু সৌদিতে গিয়ে সরাসরি যুদ্ধ করতে পারবে না।

“সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের চুক্তি আছে, কিন্তু আমি আশাবাদী যে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে না যেখানে পাকিস্তানকে কার্যত হস্তক্ষেপ করতে হবে”, রয়টার্সকে বলেছেন ও পাকিস্তানি কূটনীতিবিদ।

aliul / aliul

বিশ্বের অর্ধেকের বেশি বরফ গলার জন্য দায়ী মাত্র ৩ শতাংশ হিমবাহ

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার

হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

ইরানে আজ হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া

১৯৬৭’র পর ‘সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযানের’ প্রস্তুতি ইসরায়েলের

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত

সৌদি আরবে নিহতরা যেসব দেশের নাগরিক

এবার সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নিহত ১

প্রতিরক্ষা ছাড়িয়েও ভারতের বিনিয়োগ চায় পোল্যান্ড

সৌদি আরবের কিং ফাহদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১, আহত ৮

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে সেনাসদস্য মোতায়েনের ঘোষণা ফ্রান্সের