ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়তে চাই


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮-১০-২০২১ বিকাল ৬:১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়তে চাই; উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই; সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাই। যে দেশে কোনো অন্যায় থাকবে না; অবিচার থাকবে না; মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে- সেটাই আমি চাই।

আজ (সোমবার) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেখ রাসেল দিবস-২০২১ এর উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এই বাংলাদেশ সামনে কেমন হবে তার জন্য প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করে দিয়েছি। বাংলাদেশের আগামী দিনের চলার পথে যেন কোনো রকম হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র না হয়। বাংলাদেশের মানুষ যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে। ঘাতকের বুলেটে আর কোনো শিশুকে যেন এভাবে জীবন দিতে না হয়। আমি সমগ্র জাতির কাছে এই আহ্বানই জানাব যে, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কাজেই তাদের নিরাপত্তা দেওয়া, তাদের ভালোবাসা দেওয়া, তাদের সুন্দরভাবে গড়ে তোলা, তাদের জীবনটাকে স্বার্থক করা, অর্থবহ করা- এটাই যেন সকলের আকাঙ্ক্ষা হয়; এটাই যেন সকলের আদর্শ হয়- সেটাই আমি চাই।

তিনি বলেন, একটি শিশুকে হত্যা মানেই লাখো-কোটি শিশুর জীবনে একটা আশঙ্কা তৈরি করা। স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা দেখেছি যে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এদেশে গণহত্যা চালিয়েছিল। তারাও কিন্তু শিশুদের রেহাই দেয়নি। ছোট্ট নবজাতক শিশুকেও তারা হত্যা করেছে। এমনকি মায়ের পেটের শিশুকেও হত্যা করেছে। আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখেছি ২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনের পর। বিএনপি-জামায়াত একই কায়দায়, ঠিক যেন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী যেভাবে গণহত্যা চালিয়েছিল ওই ভাবে, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্টের পরে কত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই সেনাবাহিনীতে ১৯ বার ক্যু হয়েছে। একটা সেনাবাহিনীতে যদি ১৯ বার ক্যু হয় সেই সেনাবাহিনীতে ডিসিপ্লিন আছে বলে এটা কেউ দাবি করতে পারে না। আর এই একেকটা ক্যু ধরে হাজার হাজার সৈনিক ও অফিসার হত্যা করা হয়েছে। অনেকের পরিবার লাশও পায়নি। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরও অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর। তাদের দিনের পর দিন নির্যাতন করা হয়েছে। আবার ঠিক সেই ঘটনা আমরা দেখছি।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পর বার বার এসেছে এই ধরনের অত্যাচার। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আবারও সেই একই ঘটনা। এরপর অগ্নি সন্ত্রাস থেকে শুরু করে কতভাবে মানুষকে হত্যা করেছে। বাসে আগুন দিয়েছে। শিশুরা পুড়ে মারা গিয়েছে। এই ঘটনাও আমরা বাংলাদেশে দেখেছি। কিন্তু আমরা তো এ রকম চাই না। আমরা চাই বাংলাদেশ একটা শান্তিপূর্ণ দেশ হবে। প্রত্যেকটা শিশুর জীবন অর্থবহ হবে, সুন্দর হবে। এভাবে অকালে ঝরে যাবে সেটা আমরা চাই না। একটি ফুল পূর্ণাঙ্গভাবে ফোটার আগে অকালে ঝরে যাক এটা কারো আকাঙ্ক্ষা নয়। এটা কেউ চায় না।  

সরকার প্রধান বলেন, পঁচাত্তরের পর শুধু হত্যা নয়, সাথে সাথে ইতিহাসকেও মুছে ফেলা হয়েছিল। আমাদের অনেক প্রজন্ম জানতেই পারে না যে সেখানে কত জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, কীভাবে হত্যা করা হয়েছে বা একাত্তর সালে কীভাবে গণহত্যা হয়েছিল আমাদের দেশে।  

শেখ হাসিনা বলেন, এই বাংলাদেশে প্রথম ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশু নিরাপত্তার জন্য আইন করে দিয়ে যান। কী দুর্ভাগ্য আমাদের ঘাতকের হাতে তারই সন্তানদের হত্যার শিকার হতে হয়। বাংলাদেশে যেন আর এই ধরনের কোনো ঘটনা ভবিষ্যতে না ঘটে সেটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা, সেটাই আমরা চাই।

শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি জিজ্ঞেস করত তুমি কী হবে? সে বলত, আমি আর্মি হবো। সে একটা আর্মি অফিসার হবে, এটাই তার জীবনের স্বপ্ন ছিল।

এমএসএম / এমএসএম

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার আগুন ‍নিয়ন্ত্রণে

সিলেট-তামাবিল সড়কে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনা, শিশুসহ নিহত ৩

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চেয়ে প্রবাসী‌ কল‌্যাণে চি‌ঠি

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ আজও পাকিস্তান থাকতো : স্পিকার

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুদিনে ডিএমপির ৪২৬০ মামলা

যুব উন্নয়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস: এনবিআরের দুই কর্মী বরখাস্ত

কর্ণফুলী টানেলের লোকসান তদন্তে সংসদীয় কমিটি, শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ

তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন নাহরিন ইসলাম খান

​ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

হাসপাতাল থেকে সরকারি কোয়ার্টার, ১৩ স্পটে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

দুর্গাপূজায় অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা-উচ্চ শব্দে মাইক নিষিদ্ধ করতে নির্দেশনা