ঢাকা রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

খালেদা জিয়াকে আবারো হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩-১১-২০২১ দুপুর ১:২৮

চিকিৎসার ফলোআপের জন্য আবারো হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, গত কয়েক দিন আগে ম্যাডাম চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন। আজ আবার উনাকে ফলোআপের জন্য হাসপাতালে নেয়া হবে।

গত রোববার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় টানা ২৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, খালেদা জিয়া কিছুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। জ্বর সেরে গেলেও শারীরিক দুর্বলতাসহ স্বাস্থ্যগত নানা জটিলতা দেখা দেয়ায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ২৫ অক্টোবর খালেদা জিয়ার শরীর থেকে নেয়া টিস্যুর বায়োপসি করা হয়। এ পরীক্ষার পর তার চিকিৎসকরা জানান, খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে উঠছেন। বায়োপসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা দিচ্ছেন।

এমএসএম / জামান

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ভঙ্গুর, শঙ্কায় জিএম কাদের

দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর অপচেষ্টা হচ্ছে : রিজভী

মির্জা আব্বাস আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ: রেল প্রতিমন্ত্রী

‘নির্দেশ অমান্য করলে অন্য রূপ দেখবেন’— নেতাকর্মীদের সতর্ক করে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল

সীমান্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান কাঁটাতারের বেড়া নয় : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি: ফখরুল

লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভাস্থল ঘিরে উত্তেজনা, ডিম নিক্ষেপ

নির্বাচনকে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে

ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

প্রবাসে বসে লীগের কমিটি বাণিজ্য ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন