বাগদাদে মার্কিন ঘাঁটিতে আবারো ড্রোন হামলা নস্যাৎ
টানা তৃতীয় দিনের মতো বাগদাদের আইন আল-আসাদ মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন হামলা নস্যাৎ করে দিয়েছে ইরাকের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা। মঙ্গলবার সকালের দিকে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছের এই ঘাঁটির দিকে ধেয়ে আসা দু’টি বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে ইরাকে লড়াইরত আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাশেম সোলেইমানি হত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে তেহরান এবং ইরাকে এর মিত্ররা। সোলেইমানির মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ইরাক এবং সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে কয়েক সপ্তাহ আগে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।
এর আগে রোববার এবং সোমবার বাগদাদের পশ্চিমের আইন আল-আসাদ সামরিক ঘাঁটিতে একই ধরনের বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন হামলা নস্যাৎ করে দেয় ইরাকের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা।
সামরিক জোটের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, সিরিয়ার গ্রিন ভিলেজের কাছে বেশ কয়েকটি রকেট উৎক্ষেপণ স্থাপনা দেখার পর ‘আসন্ন হুমকির’ বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছিল আন্তর্জাতিক সামরিক জোট। জোটের কোন সদস্য রাষ্ট্র সিরিয়ায় ওই হামলা চালিয়েছে অথবা ওই উৎক্ষেপণ স্থাপনা কারা প্রস্তুত করেছিল সে ব্যাপারে কিছু জানাননি এই কর্মকর্তা।
তবে সিরিয়া এবং ইরাকে প্রায়ই মার্কিন সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ইরান-সমর্থিত ওই অঞ্চলের মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো। পেন্টাগন বলেছে, সিরিয়ায় মার্কিন জোটের হামলায় বিমান ব্যবহার করা হয়নি। তবে এই হুমকির ব্যাপারে বিস্তারিত কোনও তথ্য জানায়নি ওয়াশিংটন।
পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে কিছু বলার মতো অবস্থানে নেই। আমরা ইরাক এবং সিরিয়ায় আমাদের সৈন্যদের বিরুদ্ধে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর অব্যাহত হুমকি দেখছি।’
ইরাক এবং সিরিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৯০০ এবং ইরাকে আরও প্রায় আড়াই হাজার সৈন্য রয়েছে।
গত বছরের ৩ জানুয়ারি বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে রিমোট নিয়ন্ত্রিত মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন কাশেম সোলেইমানি। এর পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি কাশেম সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সোমবার ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম রাইসি বলেছেন, কাশেম সোলেইমানিকে হত্যার দায়ে ট্রাম্পকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ ব্যত্যয় ঘটলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ নেবে তেহরান।
জামান / জামান
ইসলামাবাদে গিয়েছেন আরাগচি, পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
ইরান যুদ্ধ : প্রায় ২ মাস পর আকাশসীমা খুললো কুয়েত
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ৩ ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল মার্কিন বাহিনী
ইরান চায় হরমুজ খোলা থাকুক, কিন্তু সেক্ষেত্রে চুক্তি হবে না : ট্রাম্প
‘বাড়াবো না’ বলেও ট্রাম্প কেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ালেন?
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রতি পাকিস্তানের আহ্বান
ইরানের কোনো প্রতিনিধি এখনও ইসলামাবাদে পৌঁছায়নি
ওমান উপসাগরে ইরানি কার্গো জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ওমান উপসাগরে ইরানি কার্গো জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধারে ‘দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া’ প্রয়োজন হবে
চুক্তি না হলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে ইরানে ফের অভিযান : ট্রাম্প