কমেছে মুরগির দাম, বেড়েছে শসা-ফুলকপির
অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পর মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে। গেল সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা এবং পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে দুই সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২৫ টাকা এবং আর সোনালি মুরগি ৮০ টাকা পর্যন্ত কমল। এদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কমলেও ভরা মৌসুমেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। এমনকি সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বাড়ার ঘটনা ঘটেছে। সব থেকে বেশি বেড়েছে শসার দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে শসার দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ফুলকপি এবং শিমও।
শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি গেলো এক সপ্তাহে কমেছে সোনালি ও লাল লেয়ার মুরগি দাম। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা। গত সপ্তাহে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া লাল লেয়ার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা।
মুরগির দামের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেনন, কিছুদিন আগে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা বিক্রি করেছি। সরবরাহ কম থাকায় এমন দাম বেড়েছিল। তবে এখন মুরগির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। তাই দাম কমেছে। আমাদের ধারণা, সামনে মুরগির দাম আরে কমবে।
ক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহে সোনালি মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আজ ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাদের মতে মুরগির দাম আরো কমা উচিত। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে থাকলে সেটা স্বাভাবিক। এর থেকে বেশি হওয়া উচিত নয়।
সবজির বাজারে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা শসার কেজি বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে শসার কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে শসার দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে।
শসার দাম বাড়ার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, শসার বাজারে আগুন লেগেছে। আড়তে শসার দাম শুনে প্রথমে আমরাই অবাক হয়েছি। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি দামে শসা কিনে এনেছি। বেশি দামে কেনার কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ করেই বাজারে শসার সরবরাহ কমে গেছে। আজ বাজারে শসা অনেক কম এসেছে। এ কারণে এমন দাম বেড়েছে। তবে আমাদের ধারণা, শসার এই দাম বেশিদিন থাকবে না। অল্প সময়ের মধ্যেই শসার দাম কমে যাবে।
শসার পাশাপাশি গেল এক সপ্তাহে বেড়েছে ফুলকপির দাম। গত সপ্তাহে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া ফুলকপির দাম বেড়ে ৪০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে বেড়েছে শিমের দাম। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে পাকা টমেটো, গাজর, মুলা, শালগমের। গত সপ্তাহের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শালগমের (ওল কপি) কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। এছাড়া বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাক বিক্রি হচ্ছে। আর পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এগুলোর দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাছবাজারে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং ও টাকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। ছোট ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। নলামাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
জামান / জামান
চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ
ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে ৯৭.৭৯ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ
জ্বালানি তেলে সব রেশনিং প্রত্যাহার
টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার
ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ
ঈদের আগে বাজারে মুরগির দাম চড়া
সোনার দাম আরও কমলো
পেট্রোল পাম্পে তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বিপিসি
সোনার ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল
কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, মার্চের ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলার
৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চায় রিহ্যাব