ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন এস কে সুর ও শাহ আলম


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-৩-২০২২ দুপুর ৩:১

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী ও নির্বাহী পরিচালক শাহ আলমের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সোয়া ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান। কোনো প্রশ্নেরই জবাব দেননি তারা। তবে এর মধ্যে এস কে সুর চৌধুরী শুধু একটি কথাই বলেছেন। তা হলো, 'আমার যা বলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বলেছি।'

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল) থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ লুটপাটের ঘটনায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এর আগে গত ২৪ মার্চ তাদের তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইএলএফএসএল থেকে 'কাগুজে' প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইতোমধ্যে ২২টি মামলা করেছে দুদক।

এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে 'কাগুজে' প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরও ১৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। এসব মামলায় পি কে হালদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রথম প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে আরও একটি  মামলা হয়। এরপর গত বছরের নভেম্বরে ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি পি কে হালদারসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। 

ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এসব অর্থ লোপাটের তথ্য চাপা দিতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন টিম। এসব অনিয়মের সহায়তা করতেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী ও নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম।

পি কে ইস্যুতে দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতায় এ পর্যন্ত ৮৩ ব্যক্তির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে ফ্রিজ করেছে দুদক। পর্যায়ক্রমে তিন ধাপে এখন পর্যন্ত ৫২ আসামি ও অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের ৮ জানুয়ারি দুদকের অনুরোধে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। তার কেলেঙ্কারিতে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ১২জন। 

তাদের মধ্যে উজ্জ্বল কুমার নন্দী, পি কে হালদারের সহযোগী শংখ বেপারী, রাশেদুল হক, অবান্তিকা বড়াল ও নাহিদা রুনাইসহ ৯ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হলেন জিয়ানগরের জাহাঙ্গীর আলম দুলাল

কৃষিতে আরও বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান রিজভীর

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুতে একদিনে পাঁচজনের মৃত্যু

প্রতি মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতে বছরে ৫ কোটি টাকার বেশি সাশ্রয়

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

প্রতিবন্ধীদের জনসম্পদে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন

ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা

লন্ডনের আদলে শিক্ষা ও দরিদ্রবান্ধব বাজেট, এটি স্মরণকালের ইতিহাস

৬২১ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ

হঠাৎ মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে ঢাকার গরম