২৫ টাকায় মিলছে পেঁয়াজ, নাগালের রাইরে বেগুন-শসা-ইলিশ-রুই মাছ
রাজধানীর বাজারগুলোতে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা পেঁয়াজের দাম গত এক সপ্তাহে আরো কমেছে। খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজের মতো কমেছে সজনের ডাঁটা ও সোনালি মুরগির দাম। তবে পেঁয়াজ, সজনের ডাঁটা, সোনালি মুরগির দাম কমলেও রোজার প্রভাবে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বেগুন ও শসা। বেগুনের কেজি ১০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে আর শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। এর সঙ্গে দাম বেড়েছে ইলিশ ও রুই মাছের।
শুক্রবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, বেশিরভাগ খুচরা ব্যবসায়ী দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ২৫ টাকা। কোনো কোনো ব্যবসায়ী ৩০ টাকা কেজিতেও পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। পাইকারিতে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২২ টাকা।
পেঁয়াজের এ দাম কমার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাঝে হুট করে পেঁয়াজের দাম বেড়েছিল। সে সময় পেঁয়াজের কেজি ৬৫ টাকা বিক্রি করেছি। হালি পেঁয়াজ আসার পর থেকে দফায় দফায় দাম কমেছে। গত সপ্তাহে এক কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকায় বিক্রি করেছি। আজ ২৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আড়ত থেকে কম দামে কিনতে পারায় কম দামে বিক্রি করছি।
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে এখন পেঁয়াজের সংকট নেই। পেঁয়াজের আমদানিও অনেক। এ কারণে দাম কমেছে। এখন এক পাল্লা (পাঁচ কেজি) পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম হয়তো আর কমবে না। তবে এ দাম আরো কিছুদিন থাকবে।
ক্রেতারা বলছেন, ১০০ টাকায় এক পাল্লা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ ২০ টাকা কেজি পড়েছে। ১৫-২০ দিন আগে পেঁয়াজের কেজি ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। এই প্রথম রোজায় পেঁয়াজের দাম কমতে দেখছি। পেঁয়াজের দাম কমায় ভালো লাগছে। কিন্তু অন্যান্য পণ্যের দাম তো অনেক বেশি। অন্যান্য পণ্যের দাম কমলে আরো বেশি স্বস্তি পেতাম।
কাঁচা বাজারে দেখা গেছে, রোজার প্রভাবে গত সপ্তাহেই বেগুনের কেজি ১০০ টাকায় ওঠে। গত এক সপ্তাহে বেগুনের দামে তেমন পরিবর্তন আসেনি। ব্যবসায়ীরা প্রকারভেদে বেগুনের কেজি বিক্রি করছেন ৭০ থেকে ১০০ টাকা। বেগুনের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শসা। এক কেজি শসা কিনতে ৬০ থেকে ৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এর সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য সবজিও।
পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০-১৫ টাকা, পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। এ সবজিগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে, কিছুদিন আগে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া সজনে ডাঁটার দাম কমে ৮০ টাকায় নেমেছে। সামনে এ সবজির দাম আরো কমবে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, দুই সপ্তাহ আগে সজনে ডাঁটার কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন সজনে ডাঁটা ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। কয়েক দিনের মধ্যে দাম আরো কমে ৫০ টাকা হতে পারে।
অন্যদিকে মাছবাজারে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে রুই ও ইলিশ মাছের দাম বেড়েছে। রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৫০ টাকা। এক সপ্তাহে আগে রুই মাছের কেজি ছিল ২৬০-৪৫০ টাকার মধ্যে। কিছুদিন আগে ১০০০-১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০০-১৬০০ টাকায়। অন্যান্য মাছের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাছের দামের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজায় ইলিশ ও রুই মাছের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে হয়তো এ দুটি মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে।
মুরগির বাজারে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা আগের মতো ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৭০-১৭৫ টাকায়। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩১০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩১০-৩৪০ টাকা। গরুর মাংস গত সপ্তাহের মতো ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে মহল্লার গলির কিছু ব্যবসায়ী গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি বিক্রি করছেন। সপ্তাহের ব্যবধানে গরুর মাংসের দামে পরিবর্তন আসেনি। ফার্মের মুরগির ডিমও গত সপ্তাহের মতো ১১০-১১৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।
জামান / জামান
চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ
ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে ৯৭.৭৯ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ
জ্বালানি তেলে সব রেশনিং প্রত্যাহার
টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার
ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ
ঈদের আগে বাজারে মুরগির দাম চড়া
সোনার দাম আরও কমলো
পেট্রোল পাম্পে তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বিপিসি
সোনার ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল
কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, মার্চের ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলার
৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চায় রিহ্যাব