ঢাকা সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

কমেছে বেগুন-শসার দাম, গাজরে বেড়েছে তিনগুণ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২-৪-২০২২ দুপুর ১২:৫৪

রাজধানীর বাজারগুলোতে হুট করে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে গাজরের দাম। এক লাফে গাজরের দাম তিনগুণ বেড়ে গেছে। গাজরের দাম বাড়লেও কিছুটা কমেছে বেগুন, শসা ও সজনে ডাটার দাম। সবজির দামে মিশ্রপ্রবণতা দেখা গেলেও সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে মুরগি ও গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সেই সঙ্গে মাছের দামেও খুব একটা পরিবর্তন আসেনি।

হুট করে গাজরের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এখন গাজরের মৌসুম নয়। বাজারে চাহিদার তুলনায় গাজরের সরবরাহ কম। এ কারণে দাম বেড়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে আরো বাড়তে পারে।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা গাজরের কেজি বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে গাজরের কেজি ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা।

গাজরের এ দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, গাজরের মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। সুতরাং এখন দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। কয়েক দিনের মধ্যে আরো বাড়বে। তখন ১০০ টাকা কেজি কিনে খেতে হবে।

অন্যদিকে রোজার শুরুতে অস্বাভাবিকভাবে বাড়া বেগুনের দাম কিছুটা কমেছে। ব্যবসায়ীরা বেগুনের কেজি বিক্রি করছেন ৫০ থেকে ৭০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে বেগুনের কেজি ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। বেগুনের মতো দাম কমেছে শসার। রোজার উত্তাপে কেজি ৮০ টাকায় উঠে যাওয়া শসা এখন বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে শসার কেজি ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

বেগুন ও শসার এ দাম কমার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলঠেন, রোজা শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বেগুনও শসার চাহিদা কমছে। এছাড়া ক্ষেতে বেশিদিন শসা রাখা যায় না। এ কারণে দাম কমছে।

বেগুন ও শসার দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য সবজি। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। লাল ও পালং শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

সজনে ডাঁটা গত সপ্তাহের মতো ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। করলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। এ সবজিগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছ বাজারে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামে তেমন পরিবর্তন আসেনি। রুইয়ের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ থেকে ১৬০০ টাকায়। তেলাপিয়া, পাঙ্গাস মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। শিং মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৬০ টাকায়। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়।

মাছের মতো অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগি ও গরুর মাংসের দাম। ব্যবসায়ীরা আগের মতো ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা আর গরুর মাংস গত সপ্তাহের মতো ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

জামান / জামান

কমতির দিকে সবজির দাম, বাজারে স্বস্তি

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ

ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে ৯৭.৭৯ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ

জ্বালানি তেলে সব রেশনিং প্রত্যাহার

টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার

ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ

ঈদের আগে বাজারে মুরগির দাম চড়া

সোনার দাম আরও কমলো

পেট্রোল পাম্পে তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বিপিসি

সোনার ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও

রেমিট্যান্সে সুবাতাস, মার্চের ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলার

৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চায় রিহ্যাব