৯ জুন নতুন বাজেট ঘোষণা
একদিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব, অন্যদিকে অতিমারী করোনা পিছু ছাড়েনি এখনো। এমন প্রতিকূল পরিবেশে আগামী ৯ জুন নতুন বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার।
আসন্ন ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে অর্থায়ন নিশ্চিত করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। আর অর্থায়নের বড় উৎস হচ্ছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ তথা রাজস্ব আয়। এই আদায়ের জন্য এনবিআরের ওপরই ভর করতে হচ্ছে সরকারকে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আদায়ের আরেকটি ‘উচ্চাভিলাষী’ লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয়া হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর)। আসন্ন অর্থবছরে এনবিআরকে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে বলা হবে। এটি চলতি অর্থবছরের মূল লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ১১ শতাংশ এবং সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২১ শতাংশ বেশি।
চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের মূল লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতির কারণে পরে মূল লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৯ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অবশ্য এনবিআর কোনো বছরেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে না। প্রতি বছরই সংশোধন করে কমাতে হয়। শেষ পর্যন্ত সেই সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা সম্ভব হয় না।
গত অর্থবছরে আদায় হয় প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি হয়েছিল প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা।
আগামী বাজেটের জন্য প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রাকে ‘অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী’ হিসেবে অভিহিত করে রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাজেটে সরকার বেশি ব্যয় করার লক্ষ্য নিয়ে রাজস্ব আয়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এত বেশি শুল্ক-কর আদায়ে এনবিআরের যেমন সক্ষমতা নেই, তেমনি অর্থনীতিতেও সেই পরিস্থিতি নেই। বাস্তবতার সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পরামর্শ দেন তারা।
বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, করোনা সংকট কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য আগের জায়গায় ফিরেছে। এটি রাজস্ব আয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আশা করছি নতুন অর্থবছরও এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং আদায় আরো বাড়বে।
এনবিআরের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চ পর্যন্ত রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশের ওপরে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সর্বোচ্চ।
রাজস্ব বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, পহেলা বৈশাখ ও ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। এছাড়া আমদানিও বেড়েছে। এসব কারণে সামনের মাসগুলোতে আদায় আরো বাড়বে এবং অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি অর্জন সম্ভব হবে।
জামান / জামান
কমতির দিকে সবজির দাম, বাজারে স্বস্তি
চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ
ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে ৯৭.৭৯ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ
জ্বালানি তেলে সব রেশনিং প্রত্যাহার
টানা তিনদিন কমলো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার
ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ
ঈদের আগে বাজারে মুরগির দাম চড়া
সোনার দাম আরও কমলো
পেট্রোল পাম্পে তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বিপিসি
সোনার ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল
কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, মার্চের ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলার