ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মসলার বাজারে কোরবানির ঝাঁঝ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫-৫-২০২২ দুপুর ১১:৫৩

মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে শুকনা মরিচ, জিরা, দারুচিনি, ধনিয়া, হলুদ, বাদাম, লবঙ্গ। বেড়েছে মসুরের ডালের দামও। ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক বাজারে মসলার মূল্যবৃদ্ধি, কনটেইনার ভাড়া বৃদ্ধিকে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ডলার স্থিতিশীল না হলে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দাম আরেক দফা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। আর বাজার তদারকি না থাকার কারণেই পণ্যের দাম ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো বাড়াচ্ছেন বলে মনে করছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

বাজারে দেখা যায়, মানভেদে জিরার দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। ধনিয়া প্রতিকেজি বেড়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা। হলুদের কেজিতে বেড়েছে ৭ থেকে ১০ টাকা। দেশি রসুনের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে শুকনা মরিচের দাম, কেজিপ্রতি ৫০ টাকারও বেশি বেড়েছে মসলাজাতীয় এ পণ্যের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের দাম বাড়ার কারণে আমদানিনির্ভর মসলাগুলোর দাম বেড়েছে। রমজানের ঈদের পর থেকে মসলাজাতীয় পণ্যে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৫০ টাকারও বেশি বেড়েছে। ঈদের আগে জিরা কেজিপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকা। এখন তা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৯৫ থেকে ৪০৫ টাকা। ইরান থেকে আসা জিরার দাম বেড়ে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। আগে তা বিক্রি হতো ৩৮০ টাকায়। ভারতীয় জিরা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। ঈদের আগে তা বিক্রি হয়েছে ৩৭৫ থেকে ৩৮০ টাকায়। শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকারও বেশি। ধনিয়া প্রতি কেজি ১০ থেকে ১২ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা কেজিতে। এছাড়া মসুর ডাল ও মটর ডাল কেজিপ্রতি বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা।

ঈদের আগে ভারতীয় হলুদ বিক্রি হতো ১১২ টাকায় আর এখন বিক্রি হচ্ছে ১১৮ থেকে ১২০ টাকা। দেশি হলুদ বিক্রি হয়েছিল ৯২-৯৩ টাকায়। এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০২ টাকায়। ঈদের আগে দেশি শুকনা মরিচ বিক্রি হতো কেজিপ্রতি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় আর এখন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা করে।

এছাড়া দারুচিনি কেজিপ্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। চীনা দারুচিনি ৩৬০ টাকা, ভিয়েতনামের দারুচিনি ৩৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে এলাচ বিক্রি হতো ১৩৫০ টাকা। ডলারের দাম বাড়ার পরে বিক্রি হয়েছিল ১৪৬০ টাকায়। এখন তা কিছুটা কমলেও আগের দামের চেয়ে বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লেই দেশের বাজারে দাম বাড়ে। ডলারের দাম বৃদ্ধি ও চাহিদা বেশি যোগান কম থাকার কারণেও দাম বাড়ে। এছাড়া কনটেইনার ভাড়া বৃদ্ধিও মাসলার দাম বাড়ার কারণ।

বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণেই মসলার দাম বেড়েছে। খাতুনগঞ্জে পর্যাপ্ত পরিমাণে পণ্য থাকলেও দাম বাড়তির দিকে। দাম বাড়ায় বিক্রি কিছুটা কম। ঈদ সামনে রেখে মসলার দাম আর বাড়বে না বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

জামান / জামান

টেক্সটাইলের কাঁচামাল উৎপাদনে এডিবির ৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন

মশিউর সিকিউরিটিজের ক্ষতিগ্রস্ত ১২২ বিনিয়োগকারী চেক পেলেন আজ

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

নতুন কোম্পানি খুলবে এসিআই, পুরোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগও বাড়াবে

সামান্য লভ্যাংশ দেবে বঙ্গজ, বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করলো তাল্লু স্পিনিং

দেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহ মার্কিন কোম্পানির

৩০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে এনআরবি ব্যাংক

টানা তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম

দারিদ্র্য থেকে সহনশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে ৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষ

মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয় বেড়েছে

লাইসেন্সবিহীন ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেন না করার পরামর্শ

সোনার দাম আরও কমেছে