ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে তৈরি মোটরগাড়িতে কর অব্যাহতি সুবিধা ২০৩০ পর্যন্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৯-৬-২০২২ দুপুর ৪:২৬
বাংলাদেশে ভারি শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি মোটরকার ও মোটর ভেহিক্যালের ক্ষেত্রে মূসক (আগাম করসহ) ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা ২০৩০ সাল পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২২-২৩ সালের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে এ প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, দেশে ভারি শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে ২৫০০ সিসি পর্যন্ত মোটর কার ও মোটর ভেহিক্যালের উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎপাদনের পর্যায়ভেদে স্থানীয় পর্যায়ের মূসক এবং উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে মূসক (আগাম করসহ) ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত দেওয়া প্রস্তাব করছি।

তিনি বলেন, সম্পূর্ণ উৎপাদনকারী হিসেবে শর্ত পূরণ না করলে ২০২৬ সাল হতে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ হারে মূসক দেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে।

এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে, থ্রি-হুইলারের স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর ও উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে সমূদয় মূসক (আগাম করসহ) ও সম্পূরক শুল্ক ৩০ জুন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। আর অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাদিক পলাশ / এমএসএম