শহরের চেয়ে গ্রামে খাদ্যপণ্যের দাম বেশি
শহরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ থাকলেও গ্রামে বর্তমানে এই হার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, শাক-সবজি থেকে শুরু করে মাছ-মুরগিসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় খাবারের দাম বাড়ায় মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে মে মাসেই মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এর আগে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির বছর ছিল ২০১০-১১ অর্থবছর। ওই বছর গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ থেকে ক্রমেই নামতে থাকে মূল্যস্ফীতির হার। এবার একক মাস হিসাবে মে মাসে ৭ শতাংশ অতিক্রম করল। গত কয়েক মাসের মতো গ্রামে শহরের চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি হয়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। শহরে হয়েছে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। আসছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে সব দেশে।
জামান / জামান
টেক্সটাইলের কাঁচামাল উৎপাদনে এডিবির ৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন
মশিউর সিকিউরিটিজের ক্ষতিগ্রস্ত ১২২ বিনিয়োগকারী চেক পেলেন আজ
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
নতুন কোম্পানি খুলবে এসিআই, পুরোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগও বাড়াবে
সামান্য লভ্যাংশ দেবে বঙ্গজ, বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করলো তাল্লু স্পিনিং
দেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহ মার্কিন কোম্পানির
৩০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে এনআরবি ব্যাংক
টানা তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম
দারিদ্র্য থেকে সহনশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে ৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষ
মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয় বেড়েছে
লাইসেন্সবিহীন ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেন না করার পরামর্শ