মস্কোর সঙ্গে আলোচনা চান বাইডেন
পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চুক্তি নিউ স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটিতে (নিউ স্টার্ট) আরও এগিয়ে নিতে চান জো বাইডেন। স্থাসীয় সময় সোমবার নিজ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, আগামী ২০২৬ সালেই শেষ হচ্ছে নিউ স্টার্টের মেয়াদ। আমার নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এই চুক্তির মেয়াদ আরও বাড়তে আগ্রহী; কিন্তু এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে হলে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী অপর অংশীদারের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেই সঙ্গে দরকার (চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে) আন্তরিক সদিচ্ছা।
রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রধান বৈরীপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র। দু’দেশের পরস্পরের প্রতি শত্রুতাপূর্ণ মনোভাব ঐতিহাসিক। ১৯১৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্থানের পর থেকে বৈরিতার শুরু; তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এক শতাব্দিরও বেশি সময় ধরে তা চলছে।
মুষ্টিমেয় যে কয়েকটি ক্ষেত্রে এই দু'দেশের মধ্যে সমঝোতা রয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করা সেসবের একটি। ১৯৯১ সালে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার কয়েক মাস আগে দুই দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো স্বাক্ষরিত হয় স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি (স্টার্ট); ২০১০ সাল পর্যন্ত ছিল এ চুক্তির মেয়াদ।
সে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে, ২০০৯ সালেই চুক্তিটিকে আরও এগিয়ে নিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। সেই অনুযায়ী বর্তমানে সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে `স্টার্টে'র কিছু পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে সেটির নাম দেওয়া হয় `নিউ স্টার্ট'। ২০১০ সালের এপ্রিলে চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ‘নিউ স্টার্ট’, যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২০২৬ সালে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে চলতি বছর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করেছে রুশ বাহিনী। এ অভিযান শুরুর পর থেকে চরম নেতিবাচক পর্যায়ে পৌঁছেছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক।
রোববার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুশ নৌবাহিনী গৃহীত নতুন একটি নীতিতে স্বাক্ষর করেছেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার একদিন পরেই এই বিবৃতি দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
বিবৃতিতে অবশ্য তিনি ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অভিযানকে ‘নিষ্ঠুর’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, এই অভিযান ইউরোপের শান্তি নষ্ট করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ব ব্যবস্থার মূলে আঘাত করেছে। কিন্তু তারপরও, মার্কিন প্রশাসন মনে করে, বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার যুগপৎভাবে কাজ করা উচিত।
জামান / জামান
সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলার পর বলল তুরস্ক— আমরা নেতানিয়াহুর ফাঁদে পা দেব না
ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশকেও কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ ঘোষণা ট্রাম্পের
কলকাতায় আগুনে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গেছে
নভেম্বরে কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে চান ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলার অর্ধেকের বেশি তেল যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ-জ্বালানি সহায়তা নিয়ে যা বলল ভারত
তারেক রহমানের ভারত সফরে খুলতে পারে সম্পর্কের ‘নতুন দুয়ার’
ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহ, যুক্তরাজ্যকে কঠোর হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
হামাস অস্ত্র না ছাড়লে গাজা পুনর্গঠন শুরু হবে না: ট্রাম্পের জামাতা
বিশ্বজুড়ে এক বছরে রেকর্ড ৩৫০ দাতব্যকর্মী নিহত