সোনার পণ্য রপ্তানি করবে বাংলাদেশ
দেশেই হবে হাইটেক গোল্ড ফ্যাক্টরি
দেশে প্রথম হাইটেক গোল্ড ফ্যাক্টরি (স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির সোনার কারখানা) স্থাপন করছে নিটল-নিলয় গ্রুপ। সেজন্য তারা যুক্ত হচ্ছে পৃথিবীর বিখ্যাত সোনা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মালাবার এর সাথে। লক্ষ্য অনুযায়ী সোনার পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হলে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে সোনার পণ্য। সে জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন নিটল নিলয় গ্রুপ এর ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মারিব আহমাদ। তিনি জানিয়েছেন- মালাবার গ্রুপ বহু আগে থেকেই পৃথিবীতে সোনার গহনা বিক্রির জন্য পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। পৃথিবীর ১০টি দেশে তারা তৈরি সোনার ব্যবসা পরিচালনা করছে। ১১তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যুক্ত হচ্ছে মালাবার এর সাথে।
কথা বলে জানা গেছে- নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান দুবাইয়ের একটি বিজনেস ফেয়ারে অংশ নিয়েছিলেন গেল বছরের ডিসেম্বরে। সেখানে মালাবার গ্রুপ এর সাথে কথা হয়। পরবর্তীতে তারা বাংলাদেশের নিটল নিলয় গ্রুপের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিদর্শন ও ব্যবসায়িক ঐতিহ্য বিবেচনা করে নিটল নিলয় গ্রুপ এর সাথে কাজ করতে উৎসাহিত হয় মালাবার। বাংলাদেশে সোনার পণ্য উৎপাদন করতে কারিগরি সহযোগিতা দিবে মালাবার। আমাদের দেশের কর্মীরা কাজ করবে কারখানায়। কর্মীদের প্রশিক্ষণও দিবে মালাবার। সে জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কারখানা স্থাপনের কাজ চলছে।
আব্দুল মারিব আহমাদ জানান- মালাবার এর সাথে যুক্ত হওয়ার আগে আমরা তাদের দুুটি কারখানা পরিদর্শন করে দেখেছি, তারা কত নিখুঁত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সোনার গহনা তৈরি করে। সোনা দিয়ে তারা লক্ষাধিক পণ্য তৈরি করে। তাদের পণ্য তৈরির ধরনও ব্যতিক্রম এবং সুন্দর। নিটল নিলয় গ্রুপ এর সাথে যুক্ত হওয়ার আগে মালাবার বাংলাদেশের সোনার বাজার পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে। পুরান ঢাকার তাঁতি বাজার, নতুন ঢাকার আধুনিক বিপণিবিতান এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন শহরের বাজার পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে। বাংলাদেশের বর্তমান কারিগরদের কাজের ধরন, ক্রেতাদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয়ও পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে তারা। এরপর যুক্ত হয়েছে নিটল নিলয় গ্রুপের সাথে।
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে নিটল নিলয় গ্রুপ ছিল আমদানি নির্ভর প্রতিষ্ঠান। এবার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিটল নিলয় গ্রুপ এর নাম জানবে মানুষ। বাংলাদেশে সোনার কারখানা স্থাপনের জন্য বাইরে থেকে কারখানার যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল মানে সোনা আমাদানি করা হবে বাইরে থেকে। দেশে তৈরি সোনার পণ্য রপ্তানি করা হবে দেশের বাইরে।
নিটল নিলয় গ্রুপ এর সমন্বয়কারী রাজিয়া আহমাদ বলেন- পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে জানত পৃথিবীর মানুষ। ভবিষ্যতে সোনার পণ্য রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে চিনবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশে সোনার বাজার বেশ বড়। পৃথিবীর যে ১০টি দেশে মালাবার এর কারখানা ও বিপণিবিতান আছে, সেখানে যত সোনার গহনা বিক্রি হয়, তার ১০ ভাগ ক্রেতা বাংলাদেশের।
বাংলাদেশের ক্রেতারা এখন দেশের বাইরে গিয়ে কিনছে মালাবার এর সোনার গহনা। বাংলাদেশে সোনার গহনার চাহিদা ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চায় নিটল নিলয় গ্রুপ। দেশে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সোনার গহনা উৎপাদন শুরু হলে, দেশে যেমন উৎপাদন বাড়বে, তেমনি দেশের মানুষের চাহিদাও পূরণ হবে, তেমনি দেশের চাহিদা পূরণ করে দেশের বাইরে রপ্তানি করা হবে সোনার গহনা।
সারা পৃথিবীতে মালাবার এর ২৯০টি বিপনীকেন্দ্র আছে। মালাবার এর পণ্যের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আস্থা আছে। বাংলাদেশের কারিগররা নিখুঁতভাবে সোনার গহনা তৈরি করে। তাদের অভিজ্ঞতাকে আমরা কাজে লাগাতে চাই। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সোনার গহনা তৈরি করা শুরু হলে, উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনি নকশায় আরও বৈচিত্র্য আসবে। বর্তমানে গহনা তৈরি করার সময় আগুনের তাপ দিয়ে যখন গহনা গলানো হয়, তখন সোনার অপচয় হয়। বাতাস দিয়ে যখন গহনা নকশা করা হয়, তখনও সোনার অপচয় হয়। গহনা যখন পানিতে ভিজিয়ে ঠান্ডা করা হয়, তখনও সোনার অপচয় হয়। বাংলাদেশে তৈরি নতুন কারখানাটি হবে এয়ারটাইট। ফলে সোনার গহনা উৎপাদনে অপচয় হবে না। শতভাগ খাঁটি সোনার গহনা মানুষের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
এমএসএম / এমএসএম
দাম বেড়েছে সবজির
এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ
কমলো সোনা ও রুপার দাম
নাগালে নেই ইলিশ, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৪০০ টাকা
সোনার দামে বড় লাফ
ফের বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম
চার দফায় ১৩ হাজার বেড়ে সোনার দাম কমলো ২ হাজার
এক ঘণ্টা কমিয়ে ব্যাংক লেনদেন ১০টা থেকে ৩টা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে
রেশনিংয়ের আগেই ৭ দিনে পৌনে ২ লাখ টন তেল ডিলারদের হাতে
২০০ টাকার নিচে নেই কোনো মাছ
এলপি গ্যাসের দাম একলাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা