ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কলঙ্কিত জেলহত্যা দিবস আজ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩-১১-২০২২ দুপুর ১০:৫৬

আজ ৩ নভেম্বর কলঙ্কিত জেলহত্যা দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায়ের নাম জেল হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ স্থান কারাগারের অভ্যন্তরে বিনাবিচারে ও বর্বরোচিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে হত্যা করে। এর কিছুদিন পরই ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ইতিহাসের আরেকটি বর্বর হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। বাংলাদেশকে নেতৃত্ব শূন্য করতে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী ও এ. এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন, সেই জাতীয় চার নেতাকে কারাঅভ্যন্তরে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে এই জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। সেই সরকারের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জিত হয়।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সব আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারের বন্দি ছিলেন, তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে এই চার নেতা আন্দলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নেন।

ঘাতক চক্রের লক্ষ্য ছিল বাঙালিকে নেতৃতৃ¦ শূন্য করে বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তানের পদানত করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া। এর কারণে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানে আটক করে রাখার পর যে চার নেতা তার হয়ে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনেন, তাদেরও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

মানবতাবোধের চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হচ্ছে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। দেশের আপামর জনতা যাদের নেতৃত্বে ও নির্দেশে এদেশের মুক্তির সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে স্বাধীন করেছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব নগর সরকারের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে এদেশের জনগণকে একত্রিত করে ও দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে বেগবান করে বিজয়ের পতাকা উচিয়ে ধরেছিল, সেই জাতীয় চার নেতাকে চরম নির্মমভাবে কারা অভ্যন্তরে রাতের অন্ধকারে হত্যা করা হয়।

জামান / জামান

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

খুপরি ঘরে বেড়ে ওঠা উম্মে সালমার SSC-তে A+, ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে পাশে ডিসি ফরিদা

প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

‎ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন, উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

৩৪ উপজেলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি রেকর্ড হালনাগাদ করা হচ্ছে : মহাপরিচালক

গণতন্ত্রের জন্য বহু নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন: জহির উদ্দিন স্বপন

কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে

জ্বালানি খাত এখন আর চ্যালেঞ্জ নয়, বড় সমস্যা

সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভ্যাবের শুভেচ্ছা

মক্কা চুক্তিতে অংশ নেওয়ার আগে আরও যাচাই-বাছাই করবে বাংলাদেশ