ঢাকা সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

আদালতে আইনজীবী

এনামুল বাছিরের মামলা 'ডেড'


সাজেদা হক       photo সাজেদা হক
প্রকাশিত: ১৭-১১-২০২২ দুপুর ৩:২৫

দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা খোন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের মামলাটিকে ‘একটি ডেড কেস’ বলে আদালতকে জানিয়েছেন আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী। সকালে বিচারপতি মো. রইস উদ্দিনের একক বেঞ্চে জামিনের আবেদন শুনানিতে তিনি এ কথা বলেন। 

আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি এনামুল বাছিরের জামিনের আবেদন শুনানির শুরুতে বিজ্ঞ বিচারক মামলার সিনোপসিস শুনতে চান। এসময় বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষী নম্বর ৭ নিয়ে আবারো কথা হয়। খোন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালেরর জুন মাসের ৯ তারিখে এটিএন নিউজে ইমরান হোসেইন সুমনের একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। তাতে দেখানো হয় আসামি এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকার বিনিময়ে সাবেক ডিআইজি মিজানকে দায়মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এই মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিতে প্রতিবেদক ইমরান হোসেন সুমনকে বার বার সমন এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেও তিনি আদালতে হাজির হন নাই। অথচ তিনি ঢাকা জজকোর্ট বিচারিক আদালত থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে (বড় মগবাজার) বাস করেন, সেখান থেকে তিনি একটি বারও কোর্টে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করলেন না। 

ইমরান হোসেন সুমন কোনো লেম্যান নন, একজন সাংবাদিক এবং সচেতন মানুষ। তার এই অনাগ্রহ থেকেই বোঝা যায় যে তিনি সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক নন। অথচ এই মামলায় ইমরান হোসেন সুমন একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য/ ভাইটাল সাক্ষ্য। সাক্ষ্য আইনেই বলা আছে, কোনো সাক্ষ্য যদি সাক্ষ্য না দেন, তা হলে তিনি তার দাবি প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন বলে আদালতে গণ্য হবেন। সেই গ্রাউন্ডেই বিচারিক আদালতের এনামুল বাছিরকে খালাস দেয়া উচিৎ ছিলো। কিন্তু বিচারিক আদালত বিষয়টিকে আমলে নেন নাই। যে কারণে মহামান্য হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী।  

 এছাড়াও যেসব সাক্ষীর সাক্ষ্যে খোন্দকার এনামুল বাছিরকে সাজা দেয়া হয়েছে তাদের সকলেই সাবেক ডিআইজি মিজানের খাস লোক, একজন ড্রাইভার, একজন অর্ডারি, একজন বডিগার্ড আর একজন ছিলেন সাবেক ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর দোকানের সেলসম্যান। এই চারজন সরাসরি ঘুষ নিতে দেখেননি। পরস্পরের সাক্ষ্যেও অনেক অমিল। সব মিলিয়ে মামলাটি একটি ‘ডেড মামলা’। দ্য কনভিকশন ইজ নট বেইজড অন অ্যাভিডেন্স। অর্থ্যাৎ আদালত যে সাজা দিয়েছে তা সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত নয়। সো দিস ইজ অ্যা ডেড কেস বলে বিজ্ঞ আদালতকে জানান আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী।  

চাকরিতে খোন্দকার এনামুল বাছিরের পদোন্নতি পাওয়ার কথা ছিলো, বার বার আবেদন করার পরও এ বিষয়ে কর্ণপাত না করায়, বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সেই ঘটনায় প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে এই মামলার উৎপত্তি বলেও আদালতে জানিয়েছেন আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী। 

আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী বলেন, কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার কারণে ষড়ড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আজ ৪০ মাস কারাভোগ করছেন খোন্দকার এনামুল বাছির। এটি ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আবারো বিজ্ঞ আদালতের কাছে জামিন এবং খালাস চান আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী। 

এই মামলায় বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ আদালতে তার পক্ষ রাখবেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন বিজ্ঞ আদালত।

 

এমএসএম / এমএসএম

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু ১ জুন

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রীর মামলা বিচারের জন্য বদলি

রামিসা হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে পুলিশের চার্জশিট

রামিসা হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিচ্ছে পুলিশ

এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

ড. আবুল বারকাতের জামিন বহাল

ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তি

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি ‘সিরিয়াস’ আদালত অবমাননা : শিশির মনির

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত, সব কর্মকর্তা আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

নতুন মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করতে নির্দেশ

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক ভিসিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির