বাংলাদেশকে আরও বেশি সহায়তা করা হবে : বিশ্বব্যাংক
বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ বাংলাদেশে তিন দিনের সফর শেষে ফিরে গেছেন। বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশের মধ্যে অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ সফর করে গেলেন তিনি।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এসব বৈঠকে বাংলাদেশকে আগামীতে আরও বেশি সহায়তার আশ্বাস দেন বিশ্বব্যাংকের এ ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্বব্যাংক জানায়, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বব্যাংকের দৃঢ় সমর্থনের বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির গতিপথ অনেক দেশের জন্য অনুপ্রেরণা। এটি উল্লেখযোগ্য উপায়ে অনেক উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। বাংলাদেশ রেকর্ড সময়ের মধ্যে দারিদ্র্য হ্রাস করেছে। এছাড়া দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনে একটি অগ্রণী এবং উদ্ভাবনী ভূমিকা পালন করেছে। বিশ্বব্যাংক গত পাঁচ দশক ধরে একটি অবিচল অংশীদার এবং বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অর্জনে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গতকাল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন ও দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং ২০২০-২০২২ সালের মধ্যে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামের সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
ভ্যান ট্রটসেনবার্গ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও, বাংলাদেশ ১৯৭১ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়জনিত মৃত্যু ১০০ গুণেরও বেশি কমিয়ে সাহসী ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি গ্রহণ করে জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বিশ্বব্যাপী আবির্ভূত হয়েছে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্বাসনে সহায়তা করেছে। এক হাজারটি সাইক্লোন শেল্টার যা স্কুল হিসেবেও কাজ করে এবং ৫৫০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা যা আশেপাশের গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অবদান রাখছে।
ভ্যান ট্রটসেনবার্গ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। যা স্বাভাবিক একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসাবে কাজে লাগছে। এছাড়া, তিনি কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। প্রায় ১১ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদারতার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্বাগতিক সম্প্রদায়ের মৌলিক চাহিদা পূরণে বাংলাদেশকে সহায়তার জন্য ৫৯০ মিলিয়ন অনুদানের অর্থায়ন করেছে।
সফরকালে তিনি অর্থমন্ত্রী, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজার।
ভ্যান ট্রটসেনবার্গ বলেন, বিশ্বব্যাংক মহামারির প্রভাব এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রভাবসহ বৈশ্বিক ধাক্কার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সাহায্য করছে। এছাড়া, উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে চ্যালেঞ্জগুলো দূর করতে সাহায্য করছে। আমরা ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে সমর্থন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এজন্য বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি উন্নত করতে এবং জলবায়ু ঝুঁকি হ্রাস করতে আরও সহায়তা করব।
এমএসএম / এমএসএম
নদী শাসনে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর তাগিদ
মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ভাসমান দোকান উচ্ছেদ
ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ-ইইউর এফটিএ দ্রুত করার তাগিদ জার্মান রাষ্ট্রদূতের
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
প্রতিটি বড় বিনিয়োগে জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর
নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের সুপারিশ
বাংলাদেশে তৈরি প্রবাসীদের ভোটিং মডেলে আকৃষ্ট নেপাল
দরিদ্র-সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির
অ-মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিতে চুলচেরা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে
প্রাথমিকে শূন্য পদে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ সংসদীয় কমিটির
বিক্রম মিশ্রির সঙ্গে হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর বিদায়ী সাক্ষাৎ