ঢাকা শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের ছয় বছর


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫-৮-২০২৩ দুপুর ১:১৭

মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিধন শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত অতিক্রম করে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা। এর আগেও কয়েক দফায় আসা রোহিঙ্গা মিলে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে এখন সাড়ে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর বাস। 

২০১৭ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ ও বাড়িঘর পুড়িয়ে রাজ্যজুড়ে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি করেছিল মিয়ানমার বাহিনী। প্রাণ বাঁচাতে নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় এসব রোহিঙ্গা। পরে তাদের ঠাঁই হয় উখিয়া-টেকনাফের পাহাড়ের ৩১টি ক্যাম্পে।

এদিকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের ছয় বছরে তাদের প্রত্যাবাসনের কয়েক দফা উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু মিয়ানমারের টালবাহানা ও রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন শর্ত-অজুহাতে বার বার আটকে যায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। ২০১৮ সালে প্রত্যাবাসনের নির্ধারিত দিনে সব ধরনের প্রস্তুতির পরও তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গারা হঠাৎ মত পাল্টালে উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। পরের বছর ২০১৯ সালে প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় উদ্যোগও বিভিন্ন অজুহাতে ভেস্তে গেছে। তখন রোহিঙ্গারা দেশে ফিরতে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছিল।

এরপর সবশেষ এ বছরের শুরুর দিকেও বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসনের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে। এর আওতায় ১১৪০ জন রোহিঙ্গাকে প্রথম পর্যায়ে প্রত্যাবাসনে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এতে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিসহ ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমারের রাখাইনে প্রস্তুত করা গ্রামগুলো পরিদর্শনেও যায়। তবে শেষ মুহূর্তে ওই প্রক্রিয়াও ভণ্ডুল হয়।

কুতুপালং মধুরছরার এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাত রয়েছে বলে আমরা শুনেছি। ইয়াবা ব্যবসায় যুক্ত রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করছে। আমাদের দাবি যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন, মিয়ানমারের বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব আইন বাতিল, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এছাড়া প্রত্যাবাসনের পর আইডিপি ক্যাম্পের পরিবর্তে নিজস্ব গ্রামে ফিরে যাওয়ার সুযোগ ও বসবাসের পরিবেশ হলে; আমরা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে প্রস্তুত।

অপরদিকে বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দাবিতে সমাবেশ করেছে কক্সবাজারবাসী।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। তবে এখন পর্যন্ত প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো আশার আলো দেখছি না।

এমএসএম / এমএসএম

নতুন বাজারে বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন

সোমবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টি, কমতে পারে তাপমাত্রা

হাদি হত্যার বিচারসহ ৩ দাবিতে চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

তাহসিফ হত্যা: রিমান্ড শেষে কারাগারে দিশা

রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের পঞ্চম চালান

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী

গাড়ির চোরাই যন্ত্রাংশের গোডাউনের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৪

শিক্ষানবিশ চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা

জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্টগার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন

৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে বিভ্রান্তি, এক্সের অনুবাদে বিব্রত জাপানি মন্ত্রী

ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করল হাইকমিশন

হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু