ঢাকা রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

হেযবুত তওহীদ কালো তালিকাভুক্ত নয়


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩-১০-২০২৪ রাত ১০:৫৪

২০০০ সালের পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন ইসলামি সব দলের উপরেই নজরদারি বাড়ায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যথারীতি অরাজনৈতিক ধর্মভিত্তিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের উপরও মনিটরিং করতে থাকে প্রশাসন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩টি জেলায় (মুন্সীগঞ্জ বাদে) এক সাথে বোমা হামলা চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেএমবিকে নিষিদ্ধ এবং পরবর্তীতে জেএমবি নেতা শায়েখ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাই’র ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তৎকালীন জোট সরকারের আমলেই জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শাহাদত-ই-আল হিকমা, হরকাতুল জিহাদ (হুজি), ও জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি) নিষিদ্ধ করা হয়।

ইসলামি সংগঠনগুলোকে কঠিন নজরদারির আওতায় আনতে ২০০৯ সালে ‘হেযবুত তওহীদ’ ও ‘হেযবুত তাহরীর’সহ ১২ টি ইসলামি সংগঠনকে কালোতালিকাভুক্ত করে তৎকালীন আওয়ামী সরকার। তদন্ত সাপেক্ষে তন্মধ্যে ‘হেযবুত তাহরীর’সহ ৪টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতের নামের আংশিক মিলের কারণে বিভ্রান্ত হয়ে মাঝে মাঝে কোনো কোনো গণমাধ্যম ‘হেযবুত তওহীদ’ কে নিষিদ্ধ ঘোষিত বলে সংবাদ প্রচার করে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তদন্তে সন্ত্রাস কিংবা জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জোরালো আদর্শিক ব্যাখ্যা প্রচার করায় হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। বাকি ৭টি সংগঠনকেও তখন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় না।

তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় এব্যাপারে সংবাদ প্রচারিত হয়। হেযবুত তওহীদকে কালো তালিকায় অন্তর্ভূক্তির সংবাদটি ইত্তেফাক পত্রিকায়ও প্রচার করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে হেযবুত তওহীদের সাথে জঙ্গি সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য না মেলায় সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা না হলে ইত্তেফাকে প্রচারিত কালো তালিকাভূক্ত সংবাদটি তারা অপসারণ করে ফেলে। 

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনায় আবারো নড়েচড়ে বসে প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। পরবর্তীতে বিস্তর তদন্ত ও মানিটরিং শেষে নব্য জেএমবি, তৌহিদী জনতা, জুমাদআতুল আল সাদাত, তামিরউদ্দীন দ্বীন বাংলাদেশ, আল খিদমত, হিজবুল মাহদি, হিজবুল্লাহ ইসলামী সমাজ, দাওয়াতি কাফেলা, শাহাদত-ই-নবুয়ত, জামাত-আস-সাদাত,  জামিউতুল ফালাহ ও  ইসলামিক সলিডারিটি ফ্রন্টÑ এই দলগুলোকে নিষিদ্ধের সুপারিশ করা হয়। হলি হার্টিজনে জঙ্গি হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে, জঙ্গিবাদ একটি ভ্রান্ত মতবাদ এবং এটি ইসলামের অপব্যাখ্যার ফল দাবি করে ‘হলি আর্টিজানের পর...’ নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ ও প্রচার করতে দেখা যায় হেযবুত তওহীদকে। 
এছাড়াও জঙ্গিবাদ নির্মূলে ইসলামের সঠিক আদর্শ তুলে ধরে ‘জঙ্গিবাদ সঙ্কট, সমাধানের উপায়’ নামেও একটি বই প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। 

উইকিপিডিয়া থেকে কালো তালিকাভুক্ত শব্দটি অপসারণ না করলেও সংগঠনটির ব্যাপারে সন্ত্রাসী বা জঙ্গি তৎপরতার কোনো তথ্য মেলে না।  উইকিপিডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, কয়েকটি মিডিয়ার রিপোর্ট এর উপর ভিত্তি করে উইকিপিডিয়ার তথ্যটি গাথা হয়েছে। 
হেযবুত তওহীদের ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা যায়, হেযবুত তওহীদ একটি অরাজনৈতিক ধর্মভিত্তিক আন্দোলন। ১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের করটিয়ায় আন্দোলনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাতা বায়াজীদ খান পন্নীর ইন্তেকালের পর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম এর সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করছেন।

এমএসএম / এমএসএম

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে বিদেশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত: মির্জা ফখরুল

লুটেরাদের ধরুন, শিল্পকারখানাগুলো খুলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন : ফখরুল

হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন মামুনুল হক

বেগম জিয়ার আজকের অসুস্থতা স্বাভাবিক নয় : মির্জা আব্বাস

খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়ে যা বললেন এনসিপি নেতারা

দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’, জানালেন তারেক রহমান

খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন : রাশেদ খান

খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় : মির্জা ফখরুল

ক্ষমতায় এলে বিএনপিসহ সবাইকে নিয়েই দেশ পরিচালনা করবো : জামায়াত আমির

সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া

অনির্বাচিত সরকারের বন্দর বা এলডিসি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নেই

বিভক্তির কারণে সাংবাদিকরা নিজেরাই রাজনীতিকদের পকেটে ঢুকে যান

তরুণ থেকে বুড়ো, সবার ভিড় এনসিপির সাক্ষাৎকারে