ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’, জানালেন তারেক রহমান


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-১১-২০২৫ দুপুর ১২:৩৫

গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের সিসিইউয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দেশের সকল স্তরের নাগরিকের আন্তরিকতা ও প্রার্থনার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে, বর্তমান সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন তিনি, তবে বলেছেন—এক্ষেত্রে তার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সীমিত।
বাংলাদেশ সময় আজ (শনিবার) সকালে তারেক রহমান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তার স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে।
তারেক রহমান তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া বর্তমানে ‘গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন’ অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন।
তিনি লেখেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি। 
দেশ ও বিদেশের চিকিৎসক দল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন জানিয়ে তিনি বন্ধুপ্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করার বিষয়টিও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
স্ট্যাটাসের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশটি ছিল তার নিজের দেশে ফেরা এবং মায়ের পাশে থাকার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। তারেক রহমান লেখেন, এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোন সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
তিনি এই স্পর্শকাতর বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার সুযোগ সীমিত বলে উল্লেখ করেন। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তার এই প্রত্যাশা পূরণে দেরি হচ্ছে বলেও ইঙ্গিত দেন।
তিনি আশা প্রকাশ করে লেখেন, রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী। 
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। এই মুহূর্তে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউয়ে চিকিৎসাধীন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল জানিয়েছেন, বেগম জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়।  

 

Aminur / Aminur

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

বিরোধী দল রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে : রিজভী

সৌদিতে নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে এনসিপি, খোঁজ নিলেন নাহিদ

দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

‘আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিতে দেশে প্রতিনিয়ত হত্যাকাণ্ড ঘটছে’

ভারতীয় হাইকমিশনারকে বহিষ্কারের দাবিতে দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা

‘দীনেশ ত্রিবেদীর অবাধে চলাফেরা দেশের প্রশাসনিক স্বাধীনতার প্রতি অবমাননা’

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে বিএনপি পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত : আবদুস সালাম

সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষা সরকার ও বিরোধী উভয় দলের দায়িত্ব: গোলাম পরওয়ার

সৌদিগামী যাত্রী ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যবস্থা নিন

'সারা পৃথিবী যাকে সম্মান করে, তাকে ন্যাক্কারজনকভাবে অপমান করা হয়েছে'

পলাতক ফ্যাসিস্টদের হুংকারে কাজ হবে না, চক্রান্ত ভেস্তে দেবে জনগণ: আমান