ঢাকা শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

এপেক এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে চালিত করেছে: সি চিন পিং


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮-১১-২০২৪ দুপুর ১:১৫

পেরু সময় গত (শনিবার) সকালে, এপেকের ৩১তম অনানুষ্ঠানিক শীর্ষসম্মেলন পেরুর রাজধানী লিমায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবং ‘যৌথভাবে যুগের দায়িত্ব বহন করা, যৌথভাবে এশিয়া-প্যাসিফিক উন্নয়ন জোরদার করা’ শিরোনামে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন। ২০২৬ সালে এপেক আয়োজন করবে চীন।

ভাষণে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, বিগত কয়েক দশক ধরে এপেক এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মহান উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও একীকরণ অর্জনের জন্য চালিত করেছে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলকে বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে গতিশীল খাত এবং একটি প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে সাহায্য করেছে। বর্তমানে, বিশ্বের পরিবর্তনগুলো বেগবান হচ্ছে, এবং এশিয়া-প্যাসিফিকের সহযোগিতাও ভূ-রাজনীতি, ক্রমবর্ধমান একতরফাবাদ এবং সংরক্ষণবাদের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

ইতিহাসের মোড়ে দাঁড়িয়ে, এশিয়া-প্যাসিফিক দেশগুলোকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ ও সহযোগিতা করতে হবে এবং দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রে সাহসী হতে হবে।

তিনি তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। প্রথমত, একটি উন্মুক্ত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক এশিয়া-প্যাসিফিক সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করা। আমাদের অবশ্যই বহুপাক্ষিকতা এবং একটি উন্মুক্ত অর্থনীতির সাধারণ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কেন্দ্রিক বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করতে হবে, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণ এবং আন্তঃসংযোগকে উন্নীত করতে এবং শিল্প ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতা ও মসৃণতা বজায় রাখতে সচেষ্ট হতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সবুজ উদ্ভাবনের এশিয়া- প্যাসিফিক বৃদ্ধির শক্তি লালন করা। বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব এবং শিল্প পরিবর্তনের নতুন দফার সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম তথ্য, জীবন ও স্বাস্থ্যের মতো সীমান্ত ক্ষেত্রগুলোতে বিনিময় এবং সহযোগিতা জোরদার করতে হবে, একটি উন্মুক্ত, ন্যায্য, ন্যায়সঙ্গত উদ্ভাবনের পরিবেশ গঠন করতে হবে, এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে উৎপাদনশীলতার উল্লম্ফন প্রচার করতে হবে।

তৃতীয়ত, সহনশীল এশিয়া-প্যাসিফিক উন্নয়নের ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদার করা এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতি ও সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর জন্য সহায়তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। চীন ২০২৬ সালে এপেকের আয়োজক দেশ হিসেবে এশিয়া-প্যাসিফিক সহযোগিতাকে আরও গভীর করা এবং এশিয়া-প্যাসিফিকের জনগণের কল্যাণে সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে চায়।

সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

T.A.S / T.A.S

ভারতে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মসূচির সুযোগ দেওয়া হয়নি

বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩৪ জন নিহত, ৮ নিখোঁজ

নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট

নেপালে ধর্মীয় সহিংসতায় নিহত ৩, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর বার্তা

প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর পদক্ষেপ ভারতের

পোল্যান্ডে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ, ন্যাটোর যুদ্ধবিমান মোতায়েন

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

আর্জেন্টিনায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৭ জন নিহত

‘বিরতি’ ভেঙে ফের ইরানে হামলা শুরু মার্কিন বাহিনীর

জাপানে ভূমিকম্পে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান, সুনামি সতর্কতা

কী কারণে ইরানে অভিযান স্থগিত রেখেছেন, জানালেন ট্রাম্প

বৃষ্টি ও বর্ষাকালীন দুর্যোগ : পাকিস্তানে এক মাসে ১০৭ জনের মৃত্যু