সত্যের সৌন্দর্য হলো, ষড়যন্ত্রের ওপর বিজয় লাভ করে: তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় খালাস পাওয়ার পর বলেছেন, সত্যের সৌন্দর্য হচ্ছে, এটি অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবেই বিজয় লাভ করে। রোববার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
এক পোস্টে তারেক রহমান আরও বলেন, আসুন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান ঘটাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই এবং ইতিহাসের এমন একটি নতুন অধ্যায় খুলি, যেখানে রাজনৈতিক পার্থ্যক্যের জন্য কারও জীবন বা পরিবার ধ্বংস হবে না।
ইংরেজিতে লেখা ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, সত্যের সৌন্দর্য হচ্ছে, এটি অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবেই বিজয় লাভ করে। আমাদের এই বিশ্বাস দেয় যে শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার ও ন্যায্যতাই জয়ী হয়।
আসুন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান ঘটাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই এবং ইতিহাসের এমন একটি নতুন অধ্যায় খুলি, যেখানে রাজনৈতিক পার্থ্যক্যের জন্য কারও জীবন বা পরিবার ধ্বংস হবে না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও লিখেছেন, আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত করার অঙ্গীকার করি, যা বিশ্বাস ও আদর্শের বৈচিত্র্যকে ধারণ করে নির্বাচনী অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করে জনগণকে ক্ষমতায়িত করে।
সেই যাত্রায় সব নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতার সুরক্ষা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও নিয়মভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা আইনের শাসন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
T.A.S / T.A.S
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে বিদেশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত: মির্জা ফখরুল
লুটেরাদের ধরুন, শিল্পকারখানাগুলো খুলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন : ফখরুল
হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন মামুনুল হক
বেগম জিয়ার আজকের অসুস্থতা স্বাভাবিক নয় : মির্জা আব্বাস
খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়ে যা বললেন এনসিপি নেতারা
দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’, জানালেন তারেক রহমান
খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন : রাশেদ খান
খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় : মির্জা ফখরুল
ক্ষমতায় এলে বিএনপিসহ সবাইকে নিয়েই দেশ পরিচালনা করবো : জামায়াত আমির
সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া
অনির্বাচিত সরকারের বন্দর বা এলডিসি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নেই
বিভক্তির কারণে সাংবাদিকরা নিজেরাই রাজনীতিকদের পকেটে ঢুকে যান