ঢাকা শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

ইরান-রাশিয়াকে কঠোর হুঁশিয়ারি সিরিয়ার বিদ্রোহী নেতার


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯-১২-২০২৪ বিকাল ৫:৫৬

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ পতনের পর বিদ্রোহী জোটের নেতা আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি রোববার (৮ ডিসেম্বর) রাতে দামেস্কের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদে দাঁড়িয়ে তার প্রথম বিজয়ী বক্তব্য দেন। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ বিজয়ী বক্তব্যের কথা জানা যায়।

বিজয়ী বক্তব্যে আল-জোলানি সিরিয়ার নতুন যুগের সূচনার কথা বলেন এবং ইরান ও রাশিয়াকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

আল-জোলানি বলেন, এখন থেকে সিরিয়ার ভূখণ্ড ইরান ও রাশিয়ার স্বার্থ পূরণের মঞ্চ নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন এবং বহিরাগত শক্তির প্রভাবমুক্ত দেশ হবে।

তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরান ও রাশিয়ার হস্তক্ষেপ তিনি বরদাশত করবেন না। পাশাপাশি, তিনি লেবাননে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহর সিরীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ বন্ধ করার ইঙ্গিত দেন।

আল-জোলানি সিরিয়ার নতুন ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই বিজয়ের মাধ্যমে সিরিয়া একটি নতুন যুগের দিকে পা বাড়িয়েছে। সিরিয়া আর মধ্যপ্রাচ্যের জন্য বিপদের উৎস হবে না, বরং এটি শান্তি এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

আল-জোলানি তার বক্তব্যে সিরীয় জনগণের সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন, যা হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) যোদ্ধাদের মাধ্যমে আসাদ সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, এই বিজয় এসেছে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকা এবং প্রচণ্ড কষ্ট সহ্য করা মানুষের আত্মত্যাগের ফলস্বরূপ।

আল-জোলানি সিরিয়ার ধর্মীয় ও সম্প্রদায়িক বিভাজন দূর করার জন্য একটি শান্তির বার্তা দেন। সিরিয়ার সুন্নি মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও আসাদ শিয়া আলাওয়াত সম্প্রদায়ের ছিলেন। তিনি তার ভাষণে সব ধর্মাবলম্বী সিরীয়দের একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া, তিনি সিরিয়ার নাম খারাপ হওয়ার জন্য স্বৈরশাসক আসাদের শাসনকে দায়ী করেন। সিরিয়া ক্যাপটাগন মাদক চোরাচালানের জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি পেয়েছিল। তবে, আল-জোলানি সিরিয়াকে একটি স্বচ্ছ এবং মাদকমুক্ত দেশ হিসেবে পুনর্নির্মাণ করার অঙ্গীকার করেছেন।

এই বিজয়ের বার্তা শুধু সিরীয় জনগণের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্ষমতাশালী দেশগুলোর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কীকরণ ছিল। সিরিয়ার নতুন নেতা হিসেবে আল-জোলানির কথা দেশটির ভবিষ্যৎ এবং পুরো অঞ্চলের জন্য নতুন পথের সূচনা হতে পারে।

T.A.S / T.A.S

আমাদের একটু সময় দিতে হবে: প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ইস্যুতে উপদেষ্টা

কোরআনে আগুন দিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে মার্কিন রাজনীতিক

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতায় কতটা অস্বস্তিতে ভারত?

পশ্চিম তীরের এক শহর থেকে সেনা প্রত্যাহার করল ইসরায়েল

গাজায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্ভিক্ষ, অনাহারে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা থালাপতির বিরুদ্ধে মামলা

ভারতে ৫১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

বেইজিংয়ে সি চিনপিং ও কম্বোডিয়ার রাজার সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক

বিশ্বে প্রথমবারের মতো মানবদেহে শূকরের ফুসফুস প্রতিস্থাপন

গাজায় নিহত আরও ৬৪, মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ গেল ১৩ জনের

চলতি বছরেই কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প

ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের চাপে দিশেহারা ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

গাজায় একদিনে নিহত ৮৬, মোট প্রাণহানি ছাড়াল ৬২ হাজার ৭০০