ঢাকা রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

পজিটিভের ৩০ দিনের মধ্যে মারা গেলে তা করোনায় বলে ধরা হবে ভারতে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২-৯-২০২১ দুপুর ১০:৯

রিপোর্ট পজিটিভ আসার ৩০ দিনের মধ্যে কেউ মারা গেলে মৃত্যুর কারণ হিসেবে করোনাভাইরাস উল্লেখ করা হবে। হাসপাতাল বা বাড়ি যেখানেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হোক না কেন, সেই নিয়ম কার্যকর হবে। একইভাবে করোনার চিকিৎসার জন্য কেউ যদি হাসপাতালে ৩০ দিনের বেশি থাকেন এবং তার মৃত্যু হয়, সেক্ষেত্রে ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে করোনার উল্লেখ করা হবে। শুক্রবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়ে এমনই জানাল দেশটির কেন্দ্র।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর গত ৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) তরফে যৌথভাবে সেই নিয়মবিধি তৈরি করা হয়েছে। গত ৩০ জুন শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে করোনার মৃত্যুর ব্যাপ্তি আরও বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছিল, যাতে প্রাথমিকভাবে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর কারও মৃত্যু হলে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে করোনার উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার হলফনামা পেশ করে কেন্দ্র জানায়, হাসপাতালে বা স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রদানকারী জায়গায় যদি কোনো করোনা আক্রান্ত রোগী ৩০ দিন পরে মারা যান, তাহলে মৃত্যুর কারণ হিসেবে করোনা বিবেচনা করা হবে। তবে বিষক্রিয়া, আত্মহত্যা, অনিচ্ছাকৃত হত্যা এবং করোনার পরিধির বাইরে কোনো দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে মৃত্যুর কারণ হিসেবে করোনার উল্লেখ করা হবে না।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

প্রীতি / প্রীতি

কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলের জীবনাবসান

ইরানে ইসরায়েলের অভিযান এখনও শেষ হয়নি : নেতানিয়াহু

এক বৈঠকে চুক্তি হবে, কেউ আশা করেনি : ইরান

২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি : ভ্যান্স

ইরানে ইসরায়েলের অভিযান এখনও শেষ হয়নি : নেতানিয়াহু

যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যা পায়নি, আলোচনায় তা চেয়েছে : ইরান

ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের কথা অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

মার্কিন প্রতিনিধি দলকে নিয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ভ্যান্স

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৩২ : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

পাকিস্তানের পথে জে ডি ভ্যান্স, ইরানি প্রতিনিধি দল পৌঁছেছে আগেই

ইরানের সঙ্গে আলোচনার আগে ট্রাম্পের কণ্ঠে ‘সতর্ক আশাবাদ’