২৩ দিনে ৬৫৩৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু ১৩
দেশে গত ২৩ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬ হাজার ৫৩৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১৬৪ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫ জন। সব মিলিয়ে এই বছরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৫৯ জন মানুষ। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই রাজধানীর বাসিন্দা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৮৯ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৮ জনে। ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮২৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২২১ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৬ হাজার ৮৯৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৫ হাজার ৭৮৭ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে ৩২ জনের দেহে ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বছর শুরু হয়। জুনে এটা ১৭২ জনে ওঠে। জুলাই মাসে সেটিই বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২৮৬ জনে। তাতে সব মিলিয়ে এ বছরের প্রথম সাত মাসে ডেঙ্গুতে মোট শনাক্ত দাঁড়ায় ২ হাজার ৬৫৮ জন। জুলাই থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে। আগস্টে এসে চিত্রটি উদ্বেগজনক হয়ে পড়ে। ওই মাসে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগী দাঁড়ায় ৭ হাজার ৬৯৮ জনে। এরপর সেপ্টেম্বর মাসের এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৫৩৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, বছরের প্রথম সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হলেও পরের এক মাসেই (আগস্ট) ৩৩ জনের মৃত্যু হয়। এমনকি সেপ্টেম্বরের এ পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। সবমিলিয়ে ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। ওই বছর এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মারা যান ১৪৮ জন। ডেঙ্গুতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয় ২০০২ সালে, ওই বছর ৫৮ জনের মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এছাড়া ২০০১ সালে ৪৪ জন মারা যান। ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলেও করোনা মহামারি মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে এবার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী।
জামান / জামান
মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর সরকার : প্রধানমন্ত্রী
উপায় না পেয়েই তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার : পরিবহনমন্ত্রী
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী
২২০০ টাকার নিচে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায় না: রুমিন ফারহানা
ঢাকায়ও লোডশেডিং করা হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
দ্বিতীয় রিফাইনারি গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে : সেনাপ্রধান
১৬ ডিসেম্বর বা নতুন বছরের শুরুতে থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : প্রতিমন্ত্রী
প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা
তীব্র তাপে পুড়ছে রাজশাহী, ঢাকাসহ ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ
ট্যাক্স-ফ্রি নয়, সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি চেয়েছি : হাসনাত আবদুল্লাহ
হামে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরে কৃষক কার্ডসহ সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা