বাজারে প্রায় সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি
সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। পাশাপাশি বেড়েছে ডিম, কাঁচামরিচ, আলু, পটল, শসাসহ বেশিরভাগ সবজির দামও। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির বিক্রি হচ্ছে ১৫৬-১৭০ টাকা, আগের সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৫৫ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ব্রয়লারের দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। আর এক মাসে কেজিতে মুরগির দাম বেড়েছে ৪৫-৫০ টাকা। এক মাস আগে ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১২০-১২৫ টাকা।
ব্রয়লারের মুরগির চেয়ে বেশি বেড়েছে সোনালী মুরগি বা পাকিস্তানী ককের দাম। গত সপ্তাহে ২৯০ টাকায় বিক্রি হওয়ার মুরগিগুলো আজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩১০ টাকা দরে। এক মাস আগে এসব মুরগির দাম ছিল ২১০ টাকা ২২০ টাকা। মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১০০ টাকা। মুরগির পাশাপাশি বেড়েছে ডিমের দামও। খুচরা বাজারে এক পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০-১১ টাকায়। আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, লকডাউন খুলে দেয়ার পর থেকে মুরগির দাম বাড়তি। মাসখানেক আগেও মুরগি ১২০ টাকা এখন ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছি। এখন দামও বাড়ছেই, কমবে বলে মনে হয় না। এখন অফিস-আদালত, কল-কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে। সে কারণে মুরগির চাহিদাও বেড়েছে। চাহিদা বাড়ায় দাম বাড়ছে।
রাজধানীর সবচেয়ে বড় মুরগির পাইকারি বাজার কাপ্তান বাজার। এই বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, লকডাউন উঠে যাওয়ার পর থেকে হোটেল-রেস্তোরাঁয় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। সেই তুলনায় মুরগি আমদানি নেই। তাই দাম বাড়ছে। আমদানি কমার পেছনে যুক্তি হিসেবে তারা জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা হয়েছে। এতে অনেক খামার নষ্ট হয়েছে। তাই চাহিদার তুলনায় মুরগি আমদানি কমেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে। এরমধ্যে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা কেজিতে, যা এর আগের সপ্তাহেও ছিল ৯০-১০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। একই ভাবে ৫৫ টাকার করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় , ৪০ টাকার পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে, ৩৫-৪০টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢেঁড়সের দাম দ্বিগুণ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। বরবটির পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।
শীতকালীন আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। গাজর ও টমেটোর বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। কাঁচা পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাল শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, মুলার শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা কেজিতে। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকায়। রসুনের দাম ৮০ থেকে ১২০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজিতে। প্রকারভেদে ৯০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা বড় দানার রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকায়। প্রতি কেজি দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। বিদেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকায়।
জামান / জামান
বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় দায় : অর্থমন্ত্রী
রিজার্ভ বেড়ে ফের ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি : অর্থমন্ত্রী
মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি
ভ্যাটসহ নতুন করে সোনার দাম নির্ধারণ, ভরিতে কমলো ৯ হাজার টাকা
সৎ ও পেশাদারদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের দাবি
রডে কর বৃদ্ধি ও গেইন ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি রিহ্যাবের
বাজেট ‘চিন্তাশীল’ হলেও নীতিকাঠামো দুর্বল, পুরোনো পথে হাঁটা দুঃখজনক
ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সংকট সামলাতে ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন
টানা চার দফা কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম