এ্যাবের কমিটিতে একটি অঞ্চলের প্রাধান্য পাচ্ছে কৃষিবিদদের ক্ষোভ
এগ্রিকালচারিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের কৃষিবিদের প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির আদর্শের কৃষিবিদরা মনে করছেন, এই কারণে কমিটি গঠনে দীর্ঘ সময় ধরে বিলম্ব হচ্ছে। তারা দাবি করেছেন, সমগ্র দেশের কৃষিবিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হওয়া উচিত।
গত ৫ অক্টোবর বিএনপির কৃষিবিদদের সংগঠন এ্যাব-এর ৬ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ড. কামরুজ্জামান কায়সারকে আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শাহাদত হোসেন বিপ্লবকে সদস্য সচিব করা হয়। নতুন এই আংশিক কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
কমিটি চূড়ান্ত করার নির্ধারিত সময় ছিল ১৮ অক্টোবর। তবে এখনও পুরো কমিটি চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক নেতা জানিয়েছেন, তারা প্রায় কমিটি চূড়ান্ত করেছিলেন। কিন্তু কৃষকদলের শীর্ষ এক নেতা ৩০ জনেরও বেশি সদস্যের তালিকা দিয়েছেন, যাদেরকে কমিটিতে রাখতে হবে। এই তালিকার অধিকাংশ সদস্যের বাড়ি উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার। বিষয়টি দেখে কমিটিতে থাকা অন্যান্য সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাদের বক্তব্য, এ্যাব সারা দেশের ত্যাগী ও সক্রিয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত হওয়া উচিত। কিন্তু একটি অঞ্চলের প্রাধান্য দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তারা তা মেনে নেবেন না।
এ্যাবের সাধারণ কৃষিবিদদের দাবি, যে কোনো কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষিবিদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষত পূর্ববর্তী কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় অনেক কৃষিবিদ মনে করেন, কিছু জেলার নেতারা অযাচিতভাবে প্রাধান্য পেয়েছেন। এটি সমগ্র দেশের কৃষি আন্দোলনের স্বার্থে ক্ষতিকর।
কমিটির একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন কমিটিতে বিভিন্ন জেলার কৃষিবিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হচ্ছে না। এতে এক ধরনের অমিল সৃষ্টি হচ্ছে, যা সংগঠনকে দুর্বল করতে পারে। এই সূত্র আরও জানায়, আমরা চাই কমিটি গঠন হোক সুষ্ঠু ও সমানুভূতিপূর্ণভাবে। যদি একটি অঞ্চলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাহলে সেটি সারা দেশের কৃষিবিদদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করবে।
কৃষিবিদরা মনে করছেন, একক অঞ্চলের প্রাধান্য দলকে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যায় ফেলতে পারে। কৃষিবিদরা আশা করছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং কমিটি গঠনের জন্য সঠিক ও নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করবে।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে অঞ্চলের বৈচিত্র্য বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেশের সকল জেলার কৃষক নেতাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। এছাড়া, কমিটি গঠনের সময় অবদান এবং নেতাদের সক্ষমতাও বিবেচনা করা উচিত।
এ্যাবের কমিটির এই বিলম্ব এবং অঞ্চলভিত্তিক প্রাধান্য বিষয়টি সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদি সময়মতো পূর্ণাঙ্গ কমিটি না গঠিত হয়, তাহলে এ্যাবের কার্যক্রম ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এ্যাবের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় একটি অঞ্চলের প্রাধান্য এবং অন্য অঞ্চলের কৃষিবিদের অংশগ্রহণ না করার অভিযোগ কৃষিবিদদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা আশা করছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গতভাবে কমিটি গঠন করবে। এ্যাবের সদস্যরা মনে করছেন, দেশের সব অঞ্চলের কৃষিবিদদের সমানভাবে অংশগ্রহণ করলে কমিটি আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হবে।
Aminur / Aminur
আগামী ৫ দিন থাকবে কুয়াশার দাপট
সার্কের চেতনা এখনো জীবিত ও দৃঢ়
মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমলো ৬০ শতাংশ, স্টক-লট বৈধ করার সিদ্ধান্ত
জয়শঙ্করের সফর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয়: রাজনাথ
কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় কিশোরীর মৃত্যু, প্রধান আসামী মহেশখালী থেকে গ্রেফতার
জয়শঙ্করের সফর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ
নতুন বছরে আরও জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন
খালেদা জিয়ার দর্শন ও মূল্যবোধ আমাদের অংশীদারত্বে দিকনির্দেশ দেবে
স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত ‘আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া
তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে শোক জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার
খালেদা জিয়ার হত্যার দায় থেকে হাসিনা কখনই মুক্তি পাবেন না