ঢাকা শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জাপানে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের উদ্যোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২-১-২০২৬ বিকাল ৬:৫৭

বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক বরাবরই সুখকর। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সবকিছুই গতিশীল। এবার জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে (বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 
এই চুক্তির অন্য উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ়করণ ও দীর্ঘমেয়াদি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ। চুক্তির আওতায় পণ্য, সেবা বাণিজ্য, শুল্ক, বিনিয়োগ, বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং মেধাস্বত্বসহ (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানের সঙ্গে ইপিএ স্বাক্ষর করবে। বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পাদিত হলে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। পক্ষান্তরে, জাপান ১ হাজার ৩৯টি পণ্যে বাংলাদেশের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। 
বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ’র উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকেই জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। এ ছাড়া, তৈরি পোশাক খাতে সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন সুবিধা পাবে। সেবা বাণিজ্য (ট্রেড ইন সার্ভিসেস) খাতেও উভয় দেশ উল্লেখযোগ্য অঙ্গীকার করেছে। বাংলাদেশ জাপানের জন্য ডব্লিউটিও সেক্টরাল ক্লাসিফিকেশন লিস্ট অনুযায়ী ১২টি সেক্টরের আওতায় ৯৭টি সাব-সেক্টর উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। 
অন্যদিকে, জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি সাব-সেক্টর উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। এর ফলে, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে।  এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সুফল বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর ফলে, বাংলাদেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। জাপান আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষর করতে ইচ্ছুক। 

Aminur / Aminur

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত, বাড়ানো হয়েছে বিনিয়োগ লক্ষ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পথে থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ

বিমানের নতুন এমডি হুমায়রা

ভোটের আগে চাঙা রেমিট্যান্স, জানুয়ারিতে এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার

১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ব্যাংক বন্ধ

বেশি দামে তেল বিক্রির প্রস্তাবে তোপের মুখে বিপিসি

মুনাফা তুলতে পারবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা: গভর্নর

বিডা-বেজা-বেপজাসহ ৬ প্রতিষ্ঠান একীভূতকরণ হচ্ছে

কমানোর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই বেড়ে ২ লাখ ৫৫ হাজার ছাড়াল সোনার দাম

শীত শেষ হওয়ার আগেই চড়া সবজির বাজার

জাপানে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের উদ্যোগ

বাংলাদেশে অটোমোটিভ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিডা ও টয়োটা বাংলাদেশের বৈঠক

জানুয়ারির ১৮ দিনে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রেমিট্যান্স