রৌমারী রাজিবপুরে ২০ টি পয়েন্টে প্রভাবশালীর নেতৃত্বে বালু তোলার মহোৎসব
কোর্ট থেকে সুস্পষ্ট নিশেধাজ্ঞা থাকলেও থেমে নেই বালু উত্তোলন। প্রশাসনের সামনেই এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও নিরব ভুমিকা পালন করছেন তারা। কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সাহেবের আলগা থেকে রাজিবপুর উপজেলার মহনগঞ্জ পর্যন্ত এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা কোর্টের নিশেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই তুলছেন বালু। নদের পাড়ের ২০ টা পয়েন্টে প্রভাবশালীদের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন থেকে বলগেট দিয়ে প্রতিদিনই বালু তোলে পাহাড়ের পরিণত করেছে এই সিন্ডিকেট। বালুর পাহাড়গুলি জব্দ ও বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে হুমকিতে পড়বে রৌমারীর মানচিত্র। ক্ষতিগ্রস্থ হবে কাঁচাপাঁকা রাস্তা ও দূর্ঘটনার শিকার হবে এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ব্রম্মপুত্র নদ থেকে রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার প্রায় ২০ টি পয়েন্টে বালুর পাহাড়ে স্তুপ করা হয়েছে। ড্রেজার বসিয়ে ব্রম্মপুত্র নদে নিশেধাজ্ঞা এলাকা থেকে তোলা হচ্ছে বালু। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ওইসব এলাকা। এভাবে বালু তোলায় নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের বসতবাড়ি সহ ফসলি জমি, গাছ পালা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসা ভাঙ্গনের কবলে রয়েছে।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতরা হলেন রৌমারী উপজেলার ফলুয়ারচর নৌকা ঘাটে নাসির উদ্দিন (অব:) আর্মি, ফারুক আহমেদ, মামুন, জায়দুল ইসলাম, জেন্নাহ (অব:) আর্মি এবং বাইশপাড়া থেকে বলদমারা ঘাট পর্যন্ত আমজাদ হোসেন, হারেজ আলী (অব:) আর্মি, রাশেদুল ইসলাম, সিরাজুল হক, এরশাদ আলী, এবাদ আলী, সাইফুল ইসলাম ও সুরুজ্জামাল মিয়া। রাজিবপুর উপজেলায় একইপন্থায় বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতরা হলেন, রাকু মিয়া, শাহিন আলম, ফুলচাঁন মিয়া ও ইয়াকুব সহ ৭ জন।
বলদমারা গ্রামের বাসিন্দা ফয়জার রহমান ও জয়নুদ্দিনসহ অনেকেই বলেন, নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্যই সরকার অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে ব্রম্মপুত্র নদে বালু উত্তোলনে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ব্রম্মপুত্র নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে আইনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন। প্রশাসনের নিকট, আমাদের জোরালো দাবী, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধসহ এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন হোক।
ফলুয়ারচর ঘাটে আসা খঞ্জনমারা গ্রামের নুরুল আমিন, গত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে সরকারি আইন অমান্য করে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছিল। তার পরেও জোড় পুর্বক বালু উত্তোলন করে চলছে। ঘাটের পাশে আমার প্রায় ৩০ বিঘা জমি ছিল। বালু খেকো সিন্ডিকেটের কারনে ভেঙ্গে নদীতে চলে গেছে। আমি বিভিন্ন ভাবে পদক্ষেপ নেয়ার পরেও রহস্যজনক কারনে বন্ধ হয় নি বালু উত্তোলন।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হাজার হাজার পরিবার নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও কিছু অসাধু নামধারী সাংবাদিক, বালু তোলায় জড়িতদের কাছ থেকে নিয়মিত নেয়া হচ্ছে মাসোয়ারা। তাদের জোড়েই ব্রম্মপুত্র নদের বুকে নিশেধাজ্ঞার অধীন থেকে বালু তোলা হচ্ছে।
অবৈধভাবে বালূ উত্তোলনকারীদের মধ্যে অবসর আর্মি নাসির উদ্দিন, নুর আলম খানের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা নিয়ম নীতি মেনে, রৌমারী উপজেলার বাইরে থেকে বালূ উত্তোলন করে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। এতে নদী ভাঙ্গনে সমস্যা হচ্ছে না।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দিন বলেন, ব্রম্মপুত্র নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে নিশেধাজ্ঞা রয়েছে। কেউ বালু তুললে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। #
এমএসএম / এমএসএম
বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ
জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: এ্যানি
চলতি বছরেই শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা
গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
৫ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটের ডাক
দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর
মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন : সিইসি
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করতে সংসদে সিইসি