ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাপানের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি অনুমোদন


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২-৫-২০২৬ দুপুর ১১:২৭

জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’ শীর্ষক চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

এছাড়া সাতটি প্রধান বৃহৎ বিড়াল প্রজাতির সুরক্ষায় গঠিত বৈশ্বিক জোট ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’ (আন্তর্জাতিক বৃহৎ বিড়াল জোট)-এর ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার অষ্টম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’ সংক্রান্ত চুক্তি অনুসম্পাদনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’ এর ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে বাঘ, সিংহ, চিতাবাঘ, তুষার চিতাবাঘ, পুমা, জাগুয়ার এবং চিটা—এই সাতটি প্রধান বৃহৎ বিড়াল প্রজাতির সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই অ্যালায়েন্স গঠিত হয়। বর্তমানে ২৪টি জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রসহ বেশ কিছু দেশ এই জোটের সদস্য।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর বৃহৎ বিড়াল প্রজাতির বাসস্থান সুরক্ষা, অবৈধ শিকার ও বাণিজ্য প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা।

বাংলাদেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের অন্যতম প্রধান আবাসস্থল হওয়ায় সুন্দরবনের পরিবেশ-ব্যবস্থা (ইকো-সিস্টেম) ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের বিষয়টি বিবেচনা করে এই চুক্তিতে স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এ ছাড়া, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য বৈশ্বিক চুক্তি’ (গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খসড়া ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০)’ অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

এতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালে জাতিসংঘে এই বৈশ্বিক চুক্তি গৃহীত হয়। বাংলাদেশসহ ১৬৪টি রাষ্ট্র এর পক্ষভুক্ত। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ২০২০ সালে বাংলাদেশকে এই চুক্তির ‘চ্যাম্পিয়ন দেশ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল। আইওএম-এর সহযোগিতায় অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য এই খসড়া জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৈঠকে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর (১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত) অনুষ্ঠিত ৭টি মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই সময়ের মধ্যে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে ৭০.৭৩ শতাংশ।

এমএসএম / এমএসএম

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

নাজিরা বাজারে বহুতল ভবনে আগুন, ৩ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

কারিগরি ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষায় জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রতিটি জেলা-উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে সরকার

বছরজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার হবে

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির

ডিএমপির মিরপুর ও লালবাগ বিভাগে নতুন দুই উপ-পুলিশ কমিশনার

জাতীয় তিন দেশে নতুন কনস্যুলেট খুলছে সরকার

তেলের দাম বৃদ্ধি, চুক্তি দর সমন্বয় চান বন্দরের বার্থ অপারেটররা

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

মোহাম্মদপুর-কেরানীগঞ্জের চিহ্নিত চাঁদাবাজ কাইল্ল্যা ফারুক গ্রেপ্তার

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩০৫

গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক