ঢাকা শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

বাবার শেষ বিদায়ে কেন নেই মোজতবা খামেনি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪-৭-২০২৬ রাত ৯:২২

ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে এতে উপস্থিত হননি তার ছেলে ও বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি।

জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি অব কাতারের সহযোগী প্রফেসর পল মুসগ্রাভ সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে শনিবার (৪ জুলাই) বলেছেন, কেন মোজতবা শেষ বিদায়ে নেই তা খুবই সহজবোধ্য।

তিনি বলেন, “ইরান ধরে নিয়েছে ইসরায়েল এই অন্তোষ্টিক্রিয়ায় নেতৃবৃন্দকে হত্যার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালাতে পারে। অতীতে ইরান এমন জানাজাকে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার জন্য ব্যবহার করেছে।”

তবে তার মতে, দেশের শীর্ষ নেতার প্রকাশ্যে আসা উচিত। কারণ মোজতবাকে সর্বশেষ গত কয়েকমাস আগে দেখা গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি ইরানকে এমন একটি উপায় বের করতে হবে যেটি দেখাবে তাদের সুপ্রিম লিডার আড়ালে থাকা কোনো ব্যক্তি নয়। তিনি আসলে সেই ব্যক্তি যিনি দেশের সত্যিকার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এ মুহূর্তে ইরানের নিরাপত্তার শঙ্কা থাকার বিষয়টি হয়ত সঠিক। কিন্তু তাদের আসলে সুপ্রিম লিডারকে প্রকাশ্যে আনতে হবে।”

গতকাল বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। আজ তার মরদেহবাহী কফিন সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এখন তারা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

সূত্র: আলজাজিরা

এমএসএম / এমএসএম

ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন হামলার হুমকি সৌদি জোটের

বাবার শেষ বিদায়ে কেন নেই মোজতবা খামেনি

বিশ্বজুড়ে ১০ লাখ নতুন ধনকুবের, সম্পদের বৈষম্য বেশি আমিরাত-রাশিয়ায়

ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ: ফ্রান্স-বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডসে ৩,৭০০ মৃত্যু

লাল পতাকায় পরিপূর্ণ খামেনির দাফন অনুষ্ঠান, কী বার্তা দিচ্ছে?

জোরালো হচ্ছে ‘এল নিনো’ বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার শঙ্কায় সতর্কতা জাতিসংঘের

খামেনির প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা শুরু, লোকে লোকারণ্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা

চীন থেকে সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনায় ‘নজর’ রাখছে ভারত

কেন খামেনির দাফন প্রক্রিয়ায় এত বিলম্ব হলো?

খামেনির শেষ বিদায়ে আসেননি সৌদির কেউ

তেহরানে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু, বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদন

শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জাতিসংঘের

আলোচনার মধ্যেই ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করে ইসরায়েল