ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

সুরক্ষিত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ও রেললাইন


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯-১০-২০২১ দুপুর ১০:৫১

বিভিন্ন স্টেশনে টিকিট ছাড়া কেউ যেন বিনা প্রয়োজনে ঢুকতে না পারে সেজন্য একসেস কন্ট্রোল সিস্টেম শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরই মধ্যে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর ও নরসিংদী স্টেশনে এ সিস্টেম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলো এ সিস্টেমের আওতায় আসবে। পাশাপাশি যেসব রেললাইনের ওপর মানুষের বেশি চলাচল সেসব এলাকার দুপাশে ফেন্সিং দিয়ে ঘেরাও করে দেয়া হচ্ছে। রেলওয়ে সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রেলওয়ের হিসাবে রাজধানীতে অতি ঝুঁকিপূর্ণ নয়টি রেলক্রসিং রয়েছে। এগুলো হলো- জুরাইন, খিলগাঁও, মগবাজার, মালিবাগ, তেজগাঁও, সায়েদাবাদ, এফডিসি মোড়, বনানী ও কারওয়ান বাজার।

আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়ক রেলক্রসিংয়ের পরিবর্তে ফ্লাইওভার, ওভারপাস, আন্ডারপাস নির্মাণ, অননুমোদিত রেলক্রসিং বন্ধ করা, প্রয়োজনীয় স্থানে অনুমোদিত ক্রসিংয়ের ব্যবস্থা করা, ভবিষ্যতে রেলের অনুমতি ছাড়া রেলক্রসিং নির্মাণ রোধ করাসহ একাধিকবার নানারকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে ক্রমেই এগুলো মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। সম্প্রতি এসব এলাকায় অবস্থিত রেললাইনের দুই পাশে তারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে চাইলেই রেললাইনে যত্রতত্র প্রবেশ করা যাবে না। এরই মধ্যে কারওয়ান বাজান থেকে মালিবাগ রেললাইন পর্যন্ত অংশ তারের ফেন্সিং নির্মাণ করতে দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজার, এফডিসি ও মগবাজার এলাকায় দেখা গেছে, রেললাইনটির দুপাশে লোহার গ্রিল দিয়ে বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে। দায়িত্বরত রেলের গেটম্যানরা জানান, মানুষ যাতে ভেতরে প্রবেশ করতে না পরে সেজন্য তারের ফেন্সিং নির্মাণ করা হবে। এতে মানুষের অবাধ চলাচল কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। ফলে দুর্ঘটনা কমবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার জানান, আমরা রেলের দুর্ঘটনা রোধ ও রেলস্টেশনে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করছি। চাইলেই যে কেউ স্টেশনে প্রবেশ করতে পারবে না। কয়েকটি স্টেশনে একসেস কন্ট্রোল করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলোর দুই পাশে সুরক্ষা ফেন্সিং দেয়া হচ্ছে। ফলে যে কেউ বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে। রেললাইনের দুপাশে এমন নিয়ন্ত্রণ আগেও ছিল। এখন আবার নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা চাই রেললাইন সুরক্ষিত থাকুক।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেললাইনের আশপাশের ১০ ফুট পর্যন্ত সব সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। তার অর্থ হচ্ছে- ১০ ফুটের আশপাশে ঢোকা নিষেধ। তবে এ নিষেধাজ্ঞা মানছে না কেউ। রেললাইন ধরেই অমনযোগী হয়ে চলাচলে করে মানুষ। ফলে অনেক সময় ট্রেনে কাটা পড়ে  প্রাণহানি ঘটে।

জামান / জামান

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার আগুন ‍নিয়ন্ত্রণে

সিলেট-তামাবিল সড়কে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনা, শিশুসহ নিহত ৩

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চেয়ে প্রবাসী‌ কল‌্যাণে চি‌ঠি

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ আজও পাকিস্তান থাকতো : স্পিকার

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুদিনে ডিএমপির ৪২৬০ মামলা

যুব উন্নয়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস: এনবিআরের দুই কর্মী বরখাস্ত

কর্ণফুলী টানেলের লোকসান তদন্তে সংসদীয় কমিটি, শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ

তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন নাহরিন ইসলাম খান

​ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

হাসপাতাল থেকে সরকারি কোয়ার্টার, ১৩ স্পটে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

দুর্গাপূজায় অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা-উচ্চ শব্দে মাইক নিষিদ্ধ করতে নির্দেশনা