সুরক্ষিত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ও রেললাইন
বিভিন্ন স্টেশনে টিকিট ছাড়া কেউ যেন বিনা প্রয়োজনে ঢুকতে না পারে সেজন্য একসেস কন্ট্রোল সিস্টেম শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরই মধ্যে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর ও নরসিংদী স্টেশনে এ সিস্টেম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলো এ সিস্টেমের আওতায় আসবে। পাশাপাশি যেসব রেললাইনের ওপর মানুষের বেশি চলাচল সেসব এলাকার দুপাশে ফেন্সিং দিয়ে ঘেরাও করে দেয়া হচ্ছে। রেলওয়ে সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রেলওয়ের হিসাবে রাজধানীতে অতি ঝুঁকিপূর্ণ নয়টি রেলক্রসিং রয়েছে। এগুলো হলো- জুরাইন, খিলগাঁও, মগবাজার, মালিবাগ, তেজগাঁও, সায়েদাবাদ, এফডিসি মোড়, বনানী ও কারওয়ান বাজার।
আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়ক রেলক্রসিংয়ের পরিবর্তে ফ্লাইওভার, ওভারপাস, আন্ডারপাস নির্মাণ, অননুমোদিত রেলক্রসিং বন্ধ করা, প্রয়োজনীয় স্থানে অনুমোদিত ক্রসিংয়ের ব্যবস্থা করা, ভবিষ্যতে রেলের অনুমতি ছাড়া রেলক্রসিং নির্মাণ রোধ করাসহ একাধিকবার নানারকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে ক্রমেই এগুলো মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। সম্প্রতি এসব এলাকায় অবস্থিত রেললাইনের দুই পাশে তারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে চাইলেই রেললাইনে যত্রতত্র প্রবেশ করা যাবে না। এরই মধ্যে কারওয়ান বাজান থেকে মালিবাগ রেললাইন পর্যন্ত অংশ তারের ফেন্সিং নির্মাণ করতে দেখা গেছে।
কারওয়ান বাজার, এফডিসি ও মগবাজার এলাকায় দেখা গেছে, রেললাইনটির দুপাশে লোহার গ্রিল দিয়ে বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে। দায়িত্বরত রেলের গেটম্যানরা জানান, মানুষ যাতে ভেতরে প্রবেশ করতে না পরে সেজন্য তারের ফেন্সিং নির্মাণ করা হবে। এতে মানুষের অবাধ চলাচল কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। ফলে দুর্ঘটনা কমবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার জানান, আমরা রেলের দুর্ঘটনা রোধ ও রেলস্টেশনে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করছি। চাইলেই যে কেউ স্টেশনে প্রবেশ করতে পারবে না। কয়েকটি স্টেশনে একসেস কন্ট্রোল করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলোর দুই পাশে সুরক্ষা ফেন্সিং দেয়া হচ্ছে। ফলে যে কেউ বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে। রেললাইনের দুপাশে এমন নিয়ন্ত্রণ আগেও ছিল। এখন আবার নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা চাই রেললাইন সুরক্ষিত থাকুক।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেললাইনের আশপাশের ১০ ফুট পর্যন্ত সব সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। তার অর্থ হচ্ছে- ১০ ফুটের আশপাশে ঢোকা নিষেধ। তবে এ নিষেধাজ্ঞা মানছে না কেউ। রেললাইন ধরেই অমনযোগী হয়ে চলাচলে করে মানুষ। ফলে অনেক সময় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণহানি ঘটে।
জামান / জামান
বাজারে চালসহ সব দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল: সংসদে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে
কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু
মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
আনসার একাডেমিতে শুরু হলো ৯ম জাতীয় বেসবল টুর্নামেন্ট
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়
হোসেনি দালান থেকে শুরু হয়েছে তাজিয়া মিছিল
আশুরা স্মরণ করিয়ে দেয় ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি : প্রধানমন্ত্রী
বেইজিংয়ে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর