আমু-শাজাহানসহ ৬ জনকে হাজিরের নির্দেশ, মির্জা আজমের নামে পরোয়ানা
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ছয়জনকে হাজিরের নির্দেশ ও একজনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন, বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মার্জিনা রায়হান, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
শুনানিতে এ মামলায় আনা অভিযোগ তুলে ধরেন প্রসিকিউটর তামিম। একইসঙ্গে প্রাইমা ফেসি গ্রাউন্ড বিবেচনায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার আর্জি জানান তিনি। এছাড়া গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ও একজনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চান।
প্রসিকিউশনের বক্তব্য শুনে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ছয়জনকে হাজিরের নির্দেশ ও একজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
আমির হোসেন আমুসহ মামলার অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তাদের মধ্যে মির্জা আজম ছাড়া বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে, ২ নভেম্বর আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা-উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এসব নেতার সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল। তারা ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারফিউ জারি এবং তা কাজে লাগিয়ে হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। আমির হোসেন আমুসহ সাত নেতার বিরুদ্ধেই সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।
aliul / aliul
আমু-শাজাহানসহ ৬ জনকে হাজিরের নির্দেশ, মির্জা আজমের নামে পরোয়ানা
মিরপুরে রাস্তার পাশ থেকে ২০ ককটেল উদ্ধার
এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
কায়সার কামাল ও চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি অ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী
হামের টিকা ক্রয়ে বিলম্ব, অনিয়ম ও ব্যর্থতার কারণ জানাতে কমিশন গঠন
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ সদস্য আহত
এসিল্যান্ড হচ্ছেন ৬২ কর্মকর্তা, চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত
১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ