ঢাকা শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

পি কে হালদারের ব্যাংক হিসাবে ৬ হাজার কোটি টাকা লেনদেন!


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০-১১-২০২১ বিকাল ৫:১৪

নামে-বেনামে বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তির নামে ১৭৮টি ব্যাংক হিসাবে আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) প্রায় ৬ হাজার ৮১ কোটি টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন, যা হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসা‍ৎ করে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ করেছেন। এ কারণে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি পি কে হালদার সঙ্গে আরো ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১০ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, পি কে হালদার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদসহ নিজের অবৈধ সম্পদের প্রকৃত অবস্থান গোপন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তিবর্গের নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে পরিচালিত ১৭৮ টি ব্যাংক হিসাবে ৬ হাজার ৮০ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার ১২৫ টাকা জমা ও উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আইন ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে সচিব বলেন, বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত কঠিন কাজ। বড় বড় আসামিদের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনতে হয়। পি কে হালদারকেও দেশে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এছাড়া অনুমোদিত চার্জশিটে ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে। এছাড়া চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় ১.১৭ কোটি কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ কানাডায় পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। 

বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন আদালতে চার্জশিট জমা দেবেন বলে জানা গেছে। চার্জশিটে প্রশান্ত কুমার হালদার ছাড়া অন্যান্য আসামিরা হলেন- প্রশান্ত কুমার হালদারের মা লিলাবতী হালদার, তার বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা,পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি , অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি। 

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। তবে চার্জশিটে আসামির সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাত ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতায় এখন পর্যন্ত ৮৩ ব্যক্তির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে ফ্রিজ করেছে দুদক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রশান্ত কুমার হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং-সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন।

এমএসএম / জামান

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫৭২ জন

ডলার সংকট না থাকায় আগামী রোজায় পণ্য আমদানি নিয়ে শঙ্কা নেই : গভর্নর

খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ

সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে, আশা সিইসির

সবুজ প্রযুক্তি, পাট ও ওষুধ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন

কামালকে দিয়েই শুরু হবে, এরপর একে একে

ঢাকার বাতাস আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’, দূষণে শীর্ষে দিল্লি

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৭

নির্বাচনি কার্যক্রমে ঢুকে যাওয়ার আগেই পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছি

কৃষির আধুনিকায়নে আসছে ২৫ বছরের মহাপরিকল্পনা

১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩ বার কাঁপল দেশ