অনিবন্ধিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন
অননুমোদিত ও অনিবন্ধিত সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের অবৈধ লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত করতে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে হাইকোর্ট। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমানের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-১ এর মহাব্যবস্থাপক জীবন কৃষ্ণ রায়, ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশনের মহাব্যবস্থাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম,আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. জুলকার নায়েন, ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মাকসুদা বেগম ও ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুনীর আহমেদ চৌধুরীকে বিশেষ এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।
কমিটি গঠন সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন হাইকোর্টে এসেছে। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সারাদেশের অনুমোদনহীন সুদ কারবারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। একইসঙ্গে অননুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠনে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশনা দেন আদালত। তদন্তকালীন সময়ে কোনো অননুমোদিত বা লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক সেগুলো বন্ধ করে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।
এছাড়া চড়া সুদে ঋণদানকারী স্থানীয় মহাজনদের তালিকা দিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। ৪৫ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।
একটি জাতীয় দৈনিকে ‘চড়া সুদে ঋণের জালে কৃষকেরা’ শিরোনামে গত ২৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক রিট করেন। রিটে মহাজনদের উচ্চহারে অনানুষ্ঠানিক ঋণ প্রদান নিষিদ্ধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়।
এছাড়া চড়া সুদে অনানুষ্ঠানিকভাবে মহাজনদের ঋণ দেওয়া রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা/ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ব–বহির্ভূত ঘোষণা এবং সারাদেশে চড়া সুদে ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল চাওয়া হয়।
আবেদনে অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ১৩৬ ব্যক্তিকে বিবাদী করা হয়েছে।
জামান / জামান
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজিকে হাইকোর্টে তলব
দুই মামলায় সাবেক মেয়র আইভীর জামিন
৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে এমপি আমির হামজা
নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি আজ
সেই বিচারপতিকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টে প্রথম দিনে ভার্চুয়ালি ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি
দেড় মাসের ছেলেসহ কারাগারে, সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন
ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস কমিশনের
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ মৃত্যু: ১৩ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্য