ঢাকা রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশন গৃহীত


সকালের সময় ডেস্ক photo সকালের সময় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০-১২-২০২১ দুপুর ১২:৪৯

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশন সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে রেজুলেশনটি উত্থাপন করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। রাষ্ট্রদূত ফা‌তিমা বিশ্বব্যাপী শান্তির সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানান।

রেজুলেশনটি উত্থাপনকালে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, এ বছর রেজুলেশনটি আরও প্রাসঙ্গিক ও জরুরি। কারণ বিশ্বব্যাপী আমরা কোভিড-১৯ মহামারীর নজিরবিহীন ও বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলেছি।

জা‌তিসং‌ঘের স্থায়ী মিশন জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রেজুলেশনটি প্রথমবারের মতো গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশ ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন এবং এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি ফোরামের আয়োজন করে আসছে।

এ বছরও ৭ সেপ্টেম্বর উচ্চপর্যায়ের এই ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। কোভিড পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রমগুলোতে সবার অন্তর্ভুক্তি এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জনের বিষয়টি আরও এগিয়ে নিতে শান্তির সংস্কৃতি যে রূপান্তরধর্মী ভূমিকা পালন করতে পারে তা তুলে ধরা হয় ফোরামটিতে।

রেজুলেশনটিতে করোনাকালীন বাস্তবতাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এতে উঠে এসেছে আয়, সুযোগ, তথ্য-প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও টিকার নতুন চ্যালেঞ্জগুলোর ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যগুলো। এছাড়া কোভিডের সময়ে লিঙ্গ বৈষম্য ব্যাপকতর হয়েছে। ঘৃণাত্বক বক্তব্য, কালিমা লেপন, বর্ণবাদ ও জাতিগত বিদ্বেষ অর্থাৎ যে সব বিষয় শান্তিকে বিপন্ন করে তুলে তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে রেজুলেশনটিতে।

এতে সহনশীলতা, বৈষম্য বিলোপ, বহুত্ববাদ, মত প্রকাশ ও কথা বলার স্বাধীনতাসহ ঘৃণাত্বক বক্তব্য মোকাবিলা করার মতো বিষয়গুলো আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম,অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই কোভিড পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় রাষ্ট্রগুলো যাতে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি কাজে লাগায় সে আহ্বানও জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রেজুলেশনটির প্রাসঙ্গিকতা বহুগুণে বেড়েছে। এর ফলে জাতিসংঘের প্রধান প্রধান কার্যাবলীতে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি বৃহত্তর পদচিহ্ন রাখতে পেরেছে এবং একটি প্রভাব সৃষ্টিকারী রেজুলেশনে পরিণত হতে পেরেছে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে এটি একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে প্রমাণিত। যা বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে জাতিসংঘ সনদের দায়বদ্ধতার পরিপূরক হিসেবেও ভূমিকা রেখে চলেছে।

জা‌তিসং‌ঘের স্থায়ী মিশন বলছে, এ বছর ১০৯টি দেশ বাংলাদেশের এই রেজুলেশনটিকে কো-স্পন্সর করেছে। যা ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণা এগিয়ে নিতে একটি ব্যাপক সমর্থন। রেজুলেশনটির প্রতি অব্যাহত এই সমর্থন এবং প্রতিবছর সর্বসম্মতভাবে এটি গ্রহণ, শান্তির প্রবক্তা হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশাল আস্থারই সাক্ষ্য বহন করে।

জামান / জামান

হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ৯০০

নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

রাতে দাঁড়িয়ে দুপুর হচ্ছে ফিলিং স্টেশনে, তবু মিলছে না গ্যাস

ভারত-বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে

প্রতিটি জেলায় স্থাপিত হচ্ছে আধুনিক মাংস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সরাসরি চিঠি লিখলেন ডিসি ফরিদা

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় পালিত হচ্ছে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী

দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

চাঁদ দেখা যায়নি, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী

ব্রিকস সম্মেলন অনেক দেরি, এক মাসে বহু কিছু হতে পারে : শামা ওবায়েদ

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল