প্রেমপত্রে কী লিখলেন বিরাট-আনুষ্কা?
দুই অঙ্গনের দুই মহা তারকার বিরাট-আনুষ্কা। বিয়ের চারবছর কেটে গেল। ছোট্ট এই দাম্পত্য জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার মেয়ে ভামিকা রয়েছেন তাদের সঙ্গে।
তারা দুজনেই ব্যক্তিগত জীবন আর কর্মজীবনের মধ্যে বেজায় ব্যালেন্স করে চলেন– চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতে নিজের মনের অজানা কথাই অনুষ্কা ব্যক্ত করেছেন বিরাটের উদ্দেশ্যে। ঠিক যেন ডিজিটাল প্রেমপত্র!
ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করে নিদারুণ একটি ক্যাপশন লিখেছেন অনুষ্কা। বলেন, ‘জীবনে একসঙ্গে থাকার কোনো সহজ উপায় নেই, বাড়ি মানেই তাতে শর্টকার্ট কিছু হয় না। এই পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ হওয়ার জন্য অসাধারণ সাহসের প্রয়োজন। যেকোনো বিষয়ে উপলব্ধি থাকা মানুষের দরকার। বিরাটের মধ্যে সেইগুণ আছে বলেই মনে করেন অনুষ্কা। দুজনই দুজনের জীবনে পরিপূরক। এখানেই শেষ নয়, অনুষ্কা বলেন, সবসময় বিরাট তাকে অনুপ্রাণিত করেন, যখন প্রয়োজন হয় তখন অনুষ্কার কথা ঠান্ডা মাথায় শোনেনও বটে।
বিরাটকে অফুরন্ত ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেই বলেন, বিয়ে তখনই সম্পন্ন হয় যখন দুজন দুজনকে নিরাপদে রাখতে পারেন। আর বিরাট তার জীবনে সবথেকে নিরাপদ মানুষ। ভাগ্যবান তারাই যারা বিরাটকে আসলেই মানুষ হিসেবে চেনেন। এমন সততা এবং সচ্ছ্বতা খুব কম মানুষের মধ্যেই আছে। সবসময় বিরাটের পাশেই থাকতে চান এমন অনুরোধও করেন তিনি।
অপরদিকে বিরাট নিজেও শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি স্ত্রী অনুষ্কাকে। বলেন, ‘চার বছর ধরে একজন সুন্দর মনের মানুষকে এত কাছ থেকে জানার উচ্ছ্বাস অবশ্যই ছিল। কীভাবে চারটে বছর হাসি আনন্দে কেটে গেল, যেন বুঝতেই পারলেন না। সারাজীবন এইভাবেই ভালোবাসা বজায় থাকবে- আমাকে আমার মত করে গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ।’
অনুষ্কার কারণেই সম্পূর্ণ হয়েছেন বিরাট– এবং তাদের পরিবার আজ সম্পূর্ণ। ভবিষ্যতে আরও নতুন দিনের অপেক্ষারত।
এমএসএম / এমএসএম
ব্র্যান্ড জগতে নতুন ভাবে উপস্থাপন করলেন ফারিহা
প্রেম ও অনুভূতির সুরে গড়া নিসর্গের “নীরব ঠিকানা”
শুভেচ্ছাদূত হলেন চিত্রনায়িকা মুনমুন
নিজের কাজ দিয়েই জায়গা করে নিচ্ছেন পরশমণি
কারো সংসার ভাঙার ইচ্ছা আমার ছিল না : তিথি
পরকীয়ার অভিযোগের বিষয়ে যা বললেন ডলি সায়ন্তনী
প্লেব্যাক নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রেয়া ঘোষাল
‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’
‘কাউকে মেরে ফেলি নাই, নিজে আত্মহত্যা করেছে’
‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’
আলো আমাদের ঠিক পথ দেখাবে : প্রিয়াঙ্কা
মারধরের অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন তিশা