রাবাদা-নরকিয়াদের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১০০ রানের আগেই গুটিয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা সেটার জবাব দেয় ৩২২ রান করে। কাগিসো রাবাদার বোলিং তোপে দুই ইনিংস মিলিয়েও ওই রান টপকে যেতে পারেনি উইন্ডিজরা। ম্যাচ হেরেছে ইনিংস ও ৬৩ রানে।
গ্রোস আইলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস হার মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ম্যাচের দ্বিতীয় দিনেই। তৃতীয় দিনে আর এক উইকেট নিলেই ইনিংস জয় পেত দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচের তৃতীয় দিনে জাইডেন সিলসের ওই উইকেট নিয়েছেন এনরিক নরকিয়া।
দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ৬২ রান এসেছে রস্টন চেজের ব্যাট থেকে। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ১৫৬ বলে ৬২ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। ৩৩ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ রান করেছেন ওপেনার কিরন পাওয়েল।
এই ইনিংসে প্রোটিয়াদের পক্ষে ২০ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা। ১৪ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে তিন উইকেট পেয়েছেন এনরিক নরকিয়া। বাকি দুই উইকেট নিয়েছেন কেশব মহারাজা। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৭ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওই ইনিংসে লুঙ্গি এনগিদি পাঁচ ও এনরিক নরকিয়া নেন চার উইকেট। পরে কুইন্টন ডি ককের ১৭০ বলে ১৪১ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৩২২ রানের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা। জবাবে ১৬২ রানে গুটিয়ে গিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
উইন্ডিজ: ৯৭/১০ (এনগিদি ৫/১৯ ও নরকিয়া ৪/৩৫; হোল্ডার ২০) ও ১৬২/১০ (রাবাদা ৫/৩৪; নরকিয়া ৩/৪৬; চেস ৬২)।
দ. আফ্রিকা: ৩২২/১০ (ডি কক ১৪১*, মার্করাম ৬০; হোল্ডার ৪/৭৫, সিলস ৩/৭৫)।
ফল: দ. আফ্রিকা ৬৩ রানে জয়ী।
এমএসএম / এমএসএম
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা
ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন মেসি
এক বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে গোল করা পঞ্চম দল আর্জেন্টিনা
রেফারিকে মেসির কড়া বার্তা, ‘আমাকে সম্মান দেখিয়ে কথা বলুন’
সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
ইংলিশ পরীক্ষায় পাস করতে হালান্ডদের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ
বেলজিয়ামকে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন
আর্জেন্টিনার ম্যাচে যে কারণে ইংলিশ রেফারি ‘নিষিদ্ধ’
ফ্রান্সের বিপক্ষে স্পেনকে স্বস্তি দিচ্ছে যে পরিসংখ্যান
দুর্বল রক্ষণভাগ নিয়ে বিব্রত আর্জেন্টিনা
ইংল্যান্ডে কি থামবে হালান্ডদের স্বপ্নযাত্রা
কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনার সামনে আরেক ‘ভোজিনহা’