ঢাকা সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

সড়ক নিরাপত্তায় ৩ হাজার ৭৮ কোটি টাকা দেবে বিশ্বব্যাংক


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-৩-২০২২ দুপুর ২:৫৯

দেশের সড়ক নিরাপত্তায় ৩৫ দশমিক ৮ কোটি ডলার (তিন হাজার ৭৮ কোটি টাকা) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। রোড সেফটি প্রজেক্টের আওতায় সোমবার (২৮ মার্চ) ওয়াশিংটনে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার ও নাটোর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার সড়কে প্রাথমিকভাবে বসানো হচ্ছে নম্বর প্লেট শনাক্তকরণ ডিভাইস। এতে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে কোনো চালক পার পাবেন না। প্রকল্পটির মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা পরিমাপ, উন্নত নকশা, প্রকৌশল সুবিধা, গতি প্রয়োগ, জরুরি সেবাসহ ব্যাপক সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই মহাসড়কে ৩০ শতাংশের বেশি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা স্থায়ী অক্ষমতার প্রধান কারণ ও শিশুদের মৃত্যু চতুর্থ প্রধান কারণ। বাংলাদেশের জন্য সড়ক নিরাপত্তা উন্নত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অগ্রাধিকার। সড়ক নিরাপাত্তায় অর্থায়ন করতে পেরে বিশ্বব্যাংক আনন্দিত। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পে ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এটি বাংলাদেশকে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে ও মানুষের জীবনের মর্মান্তিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য একটি ব্যাপক কর্মসূচি তৈরি করতে সাহায্য করবে।

প্রকল্পের আওতায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে পাঁচ হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক নিরাপদ করা হবে। তথ্যের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার বিবেচনায় বিভিন্ন ইন্টার সেকশনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাত্রার পূর্ত কাজের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য সংস্থার ব্যবহারের জন্য স্থাপন করা হবে জাতীয় ডাটা সিস্টেম। জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা ও নাটোর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার মহাসড়কে বসানো হবে সিসিটিভি। স্থাপন করা হবে ইন্টিগ্রেটেড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনসিডেন্ট ডিটেকশন সিস্টেম। কেউ যদি বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালায় ও কোনো দুর্ঘটনা ঘটায় তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরা পড়বে।

দেশে মোট সড়ক ২১ হাজার ৫৯৫ দশমিক ৪৯ কিলোমিটার। জাতীয় মহাসড়ক ৩ হাজার ৯০৬ ও আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪ হাজার ৪৮২ দশমিক ৫৪ কিলোমিটার। ১৩ হাজার ২০৬ দশমিক ৯২৩ কিলোমিটার জেলা সড়ক। এর মধ্যে এক হাজার ৬৭২ কিলোমিটার সড়ক ‘মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব সড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বসানো হবে প্রযুক্তি। এতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পার পাবেন না চালকরা।

বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সড়ক দুর্ঘটনাজনিত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ থেকে ৩ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে তাই ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’ হাতে নিচ্ছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), হাইওয়ে পুলিশ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)।

সমন্বিত নিরাপদ সড়ক প্রণয়নে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার। এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় মোট ৩ হাজার ৭৮ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সরকারি খাত থেকে মেটানো হবে। চলতি সময় থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস, থাকবে তীব্র তাপপ্রবাহ

হাম ও উপসর্গে আরো ১০ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬১

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তদবির করলেই ‘অপরাধী’

ই-ট্রাফিক : আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

জেলা প্রশাসক সম্মেলন শুরু, যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নবদিগন্তের সূচনা, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছি, ৮০ শতাংশ হবে নারী

বিতর্ক ভালো কিন্তু অপপ্রচার-মিথ্যা কখনোই ভালো হতে পারে না : মির্জা ফখরুল

থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর