আইপিএলডি’র গবেষণা
‘ব্যবসায়ীদের আধিক্য সংসদের গুণগত মানের ক্ষতিসাধন করেছে’
বাংলাদেশের সংসদে ব্যবসায়ী সংসদ সদস্যদের আধিক্য সংসদের গুণগত মানের ক্ষতিসাধন করেছে বলে জানিয়েছে ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য প্রমোশন অব লিবারেল ডেমোক্রেসি (আইপিএলডি)। ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে আইন প্রণেতাদের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন’ শীর্ষক গবেষণাপত্রে বিষয়টি উঠে এসেছে।
শনিবার রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে গবেষণার ফলাফল প্রকাশের সেমিনারটির আয়োজন করে ইনিশিয়েটিভ ফর দ্য প্রমোশন অব লিবারেল ডেমোক্রেসি (আইপিএলডি)। আইপিএলডি’র সভাপতি মোহাম্মদ ফজলুল আজিম সেমিনারে সভাপতিত্বে গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করেন সাবেক সচিব ও পিএসসি’র সদস্য এহসান শামীম, এনডিসি।
গবেষণার ফলাফলে পরিলক্ষিত হয় যে, সংসদ বিষয়ক বিশেষজ্ঞগণের ধারণা এই যে বাংলাদেশের সংসদে ব্যবসায়ী সংসদ সদস্যদের আধিক্য সংসদের গুণগত মানের ক্ষতিসাধন করেছে। এছাড়া সংসদ বিষয়ে বইপত্র, তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা এবং একটি ক্ষুদ্র সমীক্ষায় উঠে আসে যে, ব্যবসায়ী সংসদ সদস্যদের এমপি পদ এবং ব্যবসায়িক কাজের মধ্যে সাংঘর্ষিক স্বার্থ বিরাজমান থাকায় তা সংসদের গুণগত মানে প্রভাব ফেলে। তবে বর্তমানে সংসদের সার্বিক কার্যক্ষমতার যে ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে- তার অন্য আরো অনেক কারণ আছে, যেমন- হাউজের সময়ের সদ্বব্যবহার, বিল পাশ, কোরাম পূরণ, ওয়াক আউট ও বয়কট, আর্টিক্যাল-৭০ এর প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদি।
গবেষণায় বাংলাদেশ সংসদের বেশ কিছু ভাল দিক উঠে এসেছে। যেমন- সঠিক সময়ে বাজেট পাশ, মন্ত্রণালয় সংশ্লিস্ট কমিটিগুলির নিয়মিত সভা করা এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা, সংসদে মধ্য বয়সি সংসদ সদস্যদের প্রধান্য ইত্যাদি।
গবেষণায় নানান পর্যালোচনার আলোকে যে সকল সুপারিশ করা হয় তা হলো: রাজনৈতিক দলগুলি একে অপরের শত্রু নয়, তারা প্রতিদন্দ্বী। সেজন্য তাদের মধ্যে দৃশ্য/অদৃশ্য আলোচনা থাকা আবশ্যক। এতে গণতন্ত্র চর্চা গতিময় হয়। মনোনয়ন প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ হওয়া এবং রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বেশী মনোনয়ন দেওয়া জরুরী। নির্বাচনের আগে জোট করা পরিহার বাঞ্ছনীয়। এতে নির্বাচন পরবর্তী প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জোট করতে হলে জোট শরীকদের গুরুত্ব বিদ্যমান থাকে। আর্টিক্যাল-৭০ বাতিল না করলেও এটির সংশোধন করা হলে হাউজে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সংসদের কার্যক্রম আরো ফলপ্রসূ হবে।
সর্বোপরি সংসদ বিষয়ে গবেষণা বৃদ্ধি পাওয়া উচিত এবং সাধারণ জনগণের সচেতনতার জন্য এসব গবেষণার ফলাফল, প্রবন্ধ, সেমিনার এবং কর্মশালার মাধ্যমে প্রচার গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যন্ত জরুরী।
গবেষণার ফলাফল সেমিনারে উপস্থিতি ছিলেন সুজনের মুখপাত্র বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক সচিব ও (রেক্টর বিপিএটিসি) একেএম আউয়াল মজুমদার, সাবেক বিচারক ও রেজিস্ট্রার সুপ্রিম কোর্ট ইকতেদার আহমেদ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন খান, সাবেক সচিব আবদুল লতিফ মন্ডল, আরডিএ'র সাবেক মহাপরিচালক ড. সোলাইমান, নলেজ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর তোফায়েল আহমেদ, বার্ডের সাবেক মহাপরিচালক সালিহা বেগম, আমেরিকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আফতাবুল ইসলাম, প্রবাহ অরোরার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিধান চন্দ্র পাল, বাপার আজীবন সদস্য ডালিয়া দাস।
এছাড়াও আইপিএলডি’র ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. মো. আব্দুল মান্নান, বেগম তাহমিনা বানু সেমিনারে উপস্থিতি ছিলেন।
সাদিক পলাশ / সাদিক পলাশ
তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে ‘জয় বাংলা স্লোগান’, আটক ৭
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আবারও কড়াকড়ি, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ দোকানপাট
জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে হঠাৎ বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে ডিসি ফরিদা
তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নিম্নির এভারেস্ট জয়
একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি : সড়কমন্ত্রী
আদ-দ্বীনে ৬ নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে ১০ শিশুর মৃত্যু
বৈরী আবহাওয়ায় ঘরমুখো যাত্রী কম, সন্ধ্যায় বাড়তে পারে চাপ
নতুন টাকার বিক্রেতা আছে, ক্রেতা নেই