আর মাত্র এক ঘণ্টা, পদ্মাপাড়ে সাজ সাজ রব
এখন আর দিন নয়, অপেক্ষা মাত্র এক ঘণ্টার। তারপরই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সেতুর অন্যতম পদ্মা সেতু। আজ শনিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টায় দেশনেত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর উদ্বোধন করবেন। আর তাই বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে ঘিরে পদ্মা পাড়ে সাজ সাজ রব পড়েছে।
আজকের দিনটাকে উৎসবে পরিণত করবে বলে জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সকাল ১০টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তারপর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে দলীয় জনসভা করবে দলটি। ধারণা করা হচ্ছে, আজকের জনসভায় ১০ লাখের বেশি মানুষের সমাবেশ ঘটবে।
বহুল আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু েআজ উদ্বোধনের পর যান চলাচলের জন্য আগামীকাল রোববার (২৬ জুন) সকাল ৬টা থেকে উন্মুক্ত করা হবে। এটি দেশের পদ্মা নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাংশের সংযোগ ঘটবে।
এক সময় পদ্মা সেতু ছিল এক অকল্পনীয় স্বপ্ন, যা এবার বাস্তবে রূপ নিয়েছে, চোখের সামনে ভেসে উঠেছে বাস্তব এক চোখধাঁধানো অবকাঠামো। এটি নির্মাণের আগের হিসাব বলছে, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ১ দশমিক ২৩ শতাংশ অবদান রাখবে এ সেতু। আর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাড়বে শিল্প-বিনিয়োগ। নগরায়ণ যেমন গতি পাবে, তেমনি কৃষিতে আসবে বিপ্লব।
পর্যটনের পাশাপাশি বাড়বে কর্মসংস্থান। অর্থাৎ পদ্মা সেতুর প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী হবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তিন কোটির বেশি মানুষ। এ সেতুর মাধ্যমে সড়ক ও রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ পরিষেবার লাইন সংযোগ গড়ে তোলা হয়েছে, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পকারখানার বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। অন্যদিকে সহজ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও গতিশীল হয়ে উঠবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর। সেতুটি চালু হলে স্বল্প সময়ে এ দুই বন্দর থেকে পণ্য খালাস হয়ে ঢাকাসহ দেশের অন্য বড় শহরে সহজেই পৌঁছে যাবে।
পদ্মা নদী পার হয়েই রাজধানীতে আসতে হয় দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের। এতদিন সেতু না থাকায় ফেরি পারাপারে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, ভোগান্তি মাড়িয়ে আসতে হয়েছে ঢাকায়। এ ছাড়া পণ্য পরিবহনে ভোগান্তির সীমা নেই এ অঞ্চলের মানুষের। এবার পদ্মা সেতু তৈরি হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুঃখ ঘুচবে; সেই সঙ্গে পাল্টে যাবে জীবনযাত্রার মান।
পদ্মা সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। খরস্রোতা পদ্মা নদীর ওপর ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ হয়েছে স্বপ্নের এ সেতু। ২০১৪ সালে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাস ব্রিজটির ওপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরটিতে একটি একক রেলপথ। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসানো হয়েছে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ পরিকল্পনায় নির্মিত দেশটির সবচেয়ে বড় এ সেতু।
জামান / জামান
বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ
২০ নন-ক্যাডার সহকারী সচিবকে পদোন্নতি
শাহজালালে পৌনে তিন কোটি টাকার ডায়মন্ড, প্লাটিনাম-স্বর্ণালংকার আটক
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় জানালো সরকার
ইউপি ভোট নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসছে ইসি
দুর্গাপূজায় চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল
সমাজসেবায় বিত্তবানদের আরও এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সেবার মান বাড়ানো গেলে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমবে
গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে ওয়ারেন্টি ও দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ
দুর্গাপূজায় পুলিশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে : আইজিপি
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল, আক্রান্ত লাখ ছুঁইছুঁই
ছাত্রদলের সাবেক কর্মী খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী