ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন বঙ্গমাতা : প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৭-৮-২০২২ দুপুর ২:৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ ও স্বাধীনতার জন্য আমার বাবার যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রামের সারথি ছিলেন আমার মা। সবসময় আমার মা সাহস জুগিয়েছেন। তবে দেশ ও মানুষের জন্য আমার মায়ের যে আত্মত্যাগ, তা খুব কমই উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, আন্দোলন সংগ্রামের জন্য বাবা বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকলেও কখনই বিরক্ত করতেন না। বলতেন, আমি দেখবো তুমি চিন্তা করো না। সংসার সামলানোর পাশাপাশি জাতির পিতার অনেক সময়োচিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও বঙ্গমাতার পরামর্শ নিতেন। এতে আন্দোলন-সংগ্রামে গতির সঞ্চার করেছিল।

রোববার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

নবগঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিডের উদ্যোগে বঙ্গমাতা : অ্যা প্যারাগন অব উইমেন লিডারশিপ অ্যান্ড ন্যাশন-বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ শীর্ষক এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমার মা খুনিদের কাছে নিজের জীবনভিক্ষা চাননি। তিনি নিজে জীবন দিয়ে গেছেন। জাতির পিতার সিঁড়িতে পড়ে থাকা মৃতদেহ দেখে সোজা বলে দিয়েছেন- তোমরা ওনাকে মেরেছো, আমাকেও মেরে ফেলো। সেখানেই আমার মাকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করে। আমার মায়ের কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিল না। দেশের জন্য, মানুষের জন্য, দলের জন্য তিনি সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। পৃথিবীর যেকোনো মেয়ে তা অনুসরণ করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃভাষা থেকে শুরু করে স্বাধীনতা, দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিরাট অবদান রয়েছে। স্বাধীনতার পর দেশ গঠন এবং সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। আজকে আমরা যে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে গর্ববোধ করি। আমার পরিবারের প্রায় সবাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নবগঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ উদ্বোধনকালে সরকারপ্রধান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার মায়ের জন্য যে সিদ্ধান্তটা নিয়েছে, সেজন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের এ উদ্যোগ সফল হোক। আশ্বাস দিচ্ছি, আমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কথাসাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

স্বাগত বক্তৃতা করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

প্রীতি / জামান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূ‌তের বৈঠক

মাদক ও মোবাইল আসক্তিকে শিক্ষার্থীদের ‘লালকার্ড’

পত্র-নথি নিষ্পত্তিতে বিলম্ব ঠেকাতে মন্ত্রণালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শিগগিরই গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার

বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বিটিভিতে নিজেদের ছবি কম দেখানোর অনুরোধ তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর

খোয়াই নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের

শেখ হাসিনা শুধু নন, বিদেশে থাকা সব অভিযুক্তকে ফেরাতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী

আনসার-ভিডিপির অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে পদায়ন-সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

চার বছর পর শুরু হলো শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা

কোনো কনসার্ট বাতিল হওয়ার পেছনে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে