ঢাকা শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

উপার্জিত অর্থ নিয়ে দেশে বসবাস করাই আমাদের দায়িত্ব : মান্নান


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৪-৯-২০২২ দুপুর ৪:১৫

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমাদের অনেকে টাকা কামিয়েছে, টাকা বানিয়েছে। দুটো কথাই ঠিক আছে। এটা লুকানোর কী আছে? তবে দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্বও রয়েছে। টাকা কামিয়ে তা নিয়ে বিদেশ চলে যাওয়া দায়িত্ব নয়, বরং উপার্জিত অর্থ নিয়ে দেশে বসবাস করাই আমাদের দায়িত্ব। রোববার কাওরানবাজারে দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘কোভিডের প্রকোপ কমেছে, বাল্যবিবাহ কি কমবে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সমাজের অগ্রযাত্রায় সুশীল সমাজ যেসব নসিয়ত আমাদের দেয় তা অনেকাংশে মেলে না। আমি গ্রামে হাওরাঞ্চলে প্রায়ই যাই। আমাদের অনেক প্রতিবেশী-আত্মীয় গ্রামে বসবাস করে। আমি গ্রামের বাজারে বসি, প্রতিবেশীর বাসায় বসি, খাই, গল্প করি। তাদের ডিমান্ডের যে তালিকা তা শহরের সঙ্গে মেলে না। শহরের মানুষ সুশাসন চায়, গ্রামের মানুষ সুশানের অর্থ ভিন্নভাবে বোঝে। গ্রামের মানুষ চায় পর্যাপ্ত টিউবওয়েল, স্যানিটারি পায়খানা, কালভার্ট বা বয়স্ক ভাতার কার্ড।

এম এ মান্নান বলেন, গ্রামের চাহিদা শহরে এলে উল্টে যায়। শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ ও দারিদ্র্য সমাজে বড় ব্যাধি। এসব বিষয় আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকার জন্য বলছি না। তবে একটা কথা বলতে পারি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সমাজের এসব ব্যাধি মোকাবিলা করা হয়।পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কোভিড মহামারির সময় যোগাযোগ করেছি। আমার মনে হয় সামাজিক নানা সমস্যা নিয়ে আমাদের আরও গভীরে আলোচনা করা দরকার। অর্থনৈতিক যে জট তৈরি হয়েছে তার সমাধান খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। তারপরও সামগ্রিক বিবেচনায় আমরা ভালো করেছি।

বাল্যবিয়ে রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বিয়ে হয় আমাদের অঞ্চলে। এটা আমাদের ঐতিহ্য। এখানে বাল্যবিয়েও বেশি হয়। সবাই মিলে এটা রুখে দিতে হবে। মাঝেমধ্যে এসিল্যান্ড বাধা দেয়, অনেক সময় মেয়ে নিজে টেলিফোন করে বলে ‘বাবা আমাকে বিয়ে দিচ্ছে’। এগুলো শুনে ভালো লাগে। সরকার একা তো পারবে না। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নিরক্ষতা বাধা ছিল, তা অনেকাংশে দূর হয়েছে। দারিদ্র্য ৭২ শতাংশের কাছাকাছি ছিল, সেটা ২০ শতাংশে নেমেছে। ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় ছিলাম তখন দারিদ্র্য ছিল ৪০ শতাংশের কাছাকাছি। গত ১৩ থেকে ১৫ বছরে তা ২০ শতাংশে নামানো হয়েছে। এটা কিন্তু অনেক বড় অর্জন। আমাদের অনেক কিছু করতে হবে। ভূমি ব্যবস্থায় হাত দিতে হবে। তবে এসব জায়গায় হাত দিলেই নানা বাধা সৃষ্টি হয়। গোলটেবিল আলোচনায় লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হক এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রমুখ অংশ নেন।

প্রীতি / প্রীতি

খাগড়াছড়িতে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোরতোজা আলী খাঁন

দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এপ্রিলে, থাকতে পারে ঘূর্ণিঝড়ও

হাজারীবাগে বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে মিলল সাড়ে ৬ লাখ টাকার সিগারেট

ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

অফিস ৯টা থেকে ৪টা, ৬টায় মার্কেট বন্ধ: মন্ত্রিসভায় গুচ্ছ সিদ্ধান্ত

দেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই: মন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি, গলে যাচ্ছে রাস্তার পিচ

জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

রাত ৮টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির

ঈদযাত্রায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২০ জন

দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে সব স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে থাকার অনুরোধ মন্ত্রীর

এনবিআরের অডিটের জালে ৬০০ প্রতিষ্ঠান