ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

আমাদের ইভিএম ভারতের মতো নয় : ইসি আলমগীর


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫-১১-২০২২ বিকাল ৫:১০

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, অনেকেই বলেন ইভিএম একটা কারচুপির মেশিন। আমরা এখানে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। অতীতের নির্বাচনের যে অভিজ্ঞতা নিয়েছি, তাতে দেখেছি; ইভিএমে কারচুপির কোনও সুযোগ নেই। কারণ আমরা তো কারিগরি দিক থেকে এক্সপার্ট না, যারা এক্সপার্ট তারা বলেছেন। দলগুলোকেও ডেকেছিলাম তাদের কারিগরি টিম এনে পরীক্ষা করে দেখার জন্য। অনেকে ভারতের ইভিএমের মতো বললেও আসলে এটার তুলনা করা যায় না।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি আলমগীর এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীর এজেন্টরা কারচুপিতে সহায়তা করলে বা কারচুপি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই বলে এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বাইরে রাখা যাবে না। এটা কোনো দলই মানবে না। মশারির ভেতরে মশা ঢুকলে মশারি পুড়িয়ে দিলে তো হবে না। মশা তাড়াতে হবে। তেমনই কোনো এজেন্ট অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নিতে হবে।

আলমগীর বলেন, ইভিএম নিয়ে প্রথমেই যেটা বলা যে, প্রোগ্রামিং করে ফল পাল্টে দেওয়া যায়। তাত্ত্বিক দিক দিয়ে যারা বলেন তারা হয়ত ঠিকই বলেন। কিন্তু বাস্তবতার দিক দিয়ে এটা মোটেই ঠিক নয়। আপনি বলতেই পারেন যেকোনো একটা কোম্পানির ওষুধে ভেজাল থাকতে পারে, কিন্তু সব কোম্পানির ওষুধে ভেজাল আছে বিষয়টি এমন নয়। আমাদের ইভিএমটা ভিন্ন ধরনের। অনেকেই বলেন, ভারতের ইভিএমের মতো। আসলে ভারতের সঙ্গে এটার তুলনা করা যায় না। ভারতের ইভিএম ভোটার আইডেন্টিফিকেশন করে ম্যানুয়েলি। আমাদের ইভিএমে আইডেন্টিফিকেশন করা হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে। যেহেতু আমাদের ভোটার ডাটাবেজ আছে ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ। কাজেই ভোটারদের সব তথ্য যাচাই হয় মেশিনের মাধ্যমেই। যেটা ভারতের ইভিএম করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় বিষয় হলো এ ইভিএমে যে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র যোগ করতে পারে। যে প্রার্থী আছে তাদের ভোটটা যোগ করতে পারে। আর কিছু করতে পারে না। প্রোগ্রামিংটা ওইভাবে করা। কাজেই কেউ যন্ত্রে বা বাইরে থেকে ম্যানুপুলেশন করবে সে সুযোগ নেই। কারণ এটার যে চিপস ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে রাইট করা হয়, এটা হলো ওয়ান-টাইম ইউজেবল। কাজেই একবার রাইট করা গেলে রি-রাইট বা এডিট করার কোনও সুযোগ থাকে না।

মো. আলমগীর বলেন, ইভিএমে ভোট নেওয়ার সুবিধা হলো ভোটের আগে পরে ভোট দেওয়ার সুযোগ অথবা ভোটার ছাড়া কেউ এসে ভোট দিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। একটা দুর্বলতা আছে, যে গোপন বুথে যদি ভোটারকে ঢুকতে না দেওয়া হয়, এই সুযোগটা আছে। যদি ১০ শতাংশ ভোটার কেন্দ্রে আসে তবে ১০ শতাংশ ভোটই কাস্ট করতে পারবে। আর ব্যালটে ১০ শতাংশ ভোটার আসলে শতভাগ ভোট দেওয়ার সম্ভব। এটার মাধ্যমে জালিয়াতি কোনও সুযোগ নেই।

‘আরেকটা হলো ইন্টারনেটের সঙ্গে কোনও সংযোগ নেই আমাদের ইভিএমের। ব্যালট ইউনিটের সঙ্গে যে সংযোগ দেওয়া হয়, এটা কিন্তু কাস্টমাইজ করা। বাজারে কেনা কোনও ক্যাবল, ড্রাইভ; কোনও কিছুই এটার মধ্যে ইনসার্ট করতে পারবেন না। কেবল এই ইভিএমের জন্য যে ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে, সেটা ছাড়া আর কোনও ডিভাইস যোগ করতে পারবেন না। এটা কেবল যোগ-বিয়োগ করে। ক্যালকুলেটরের মতো। ক্যালকুলেটরে যেমন প্রোগ্রাম পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। আমাদের ইভিএমে সে সুযোগ নেই। ইভিএম নিয়ে যে অপপ্রচার আছে, যারা বলেন তারা না জেনে না বুঝে বলেন। তারা চাইলে যেকোনও ইভিএমে চেক করে দেখতে পারেন।’ 

প্রীতি / প্রীতি

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাওয়া যাবে হামের টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জ্বালানি তেল মজুতকারীর তথ্য দিলে মিলবে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার

মুনাফার প্রলোভনে বিনিয়োগ, পাচার হওয়া ৪০ কোটি টাকা ফেরত আনলো সিআইডি

ঘোড়াঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে আরেক ট্রাকের ধাক্কায় নিহত -১

জ্বালানি সাশ্রয় ও অফিসে উপস্থিতি নিয়ে যে নির্দেশনা দিলো জনপ্রশাসন

৩০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

আজও বাতিল মধ্যপ্রাচ্যের ১৮ ফ্লাইট

ক্রীড়া কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

যেখানেই খালি জায়গা সেখানেই খেলার মাঠ : সংসদে প্রতিমন্ত্রী

সংসদে কেউ ফাঁসির মঞ্চ থেকে এসেছেন যা বিশ্বে বিরল: ডেপুটি স্পিকার

প্রিপেইড মিটারের মাসিক ভাড়া আর থাকবে না : বিদ্যুৎ মন্ত্রী

ঈদযাত্রা স্বস্তির হয়েছে, বললেন সড়কমন্ত্রী

‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী